স্পোর্টস ডেস্ক: এশিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল শুক্রবার (৬ মার্চ) সিডনির কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামে উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হেরে গেছে। এই বড় ব্যবধানের হারে শেষ আটে যাওয়ার সম্ভাবনা ঝুঁকিতে পড়েছে পিটার বাটলারের নেতৃত্বাধীন দল। চ্যাম্পিয়ন বা উচ্চ র্যাঙ্কিংধারী দলের বিপক্ষে খেলতে নেমে বাংলাদেশের ফুটবলাররা মাঠে কতটুকু ট্যাকটিক্যাল দ্বৈরথ, বলের এক্যুরেসি ও পজিশনিং বজায় রাখতে পেরেছে—ম্যাচ শেষে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হন মিডফিল্ডার স্বপ্না রানী।
ম্যাচের ৪৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামা স্বপ্না রানী বলেন, হ্যাঁ, তারা (উত্তর কোরিয়া) সত্যিই খুব ভালো দল। খেলার সময় বুঝতে পেরেছি তাদের ওভারটেকিং, রানিং, বলের এক্যুরেসি, পাসিং—সব মিলিয়ে তারা অনেক শক্তিশালী। তাদের দক্ষতা মাঠে স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা গেছে।
ম্যাচের আগে জাতীয় দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় দৃঢ়ভাবে ভালো খেলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিল। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি, চেষ্টার ত্রুটি ছিল না। একই সুরে স্বপ্না রানী যোগ করেন, আমরা হারানোর কিছু নেই। তারা বিশ্বমানের শক্তিশালী দল। আমরা আমাদের সেরাটা দিয়েছি। আজকের হার আমাদের ব্যাড লাক।
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে চীনের কাছে ২-০ গোলে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়েছে। স্বপ্না রানী বলেন, গরমের কারণে এবং প্রথম ম্যাচের পর ক্লান্তি কিছুটা অনুভূত হয়েছে। তবে উত্তর কোরিয়া শক্তিশালী, আমাদের আরও বেশি দৌড়াতে হতো। ম্যান টু ম্যান ডিফেন্স আরও কঠোর করতে হতো এবং রানিং ও পজিশনিংয়ে আরও সচেতন হতে হতো।
বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান। স্বপ্না রানী জানিয়েছেন, পরবর্তী ম্যাচের জন্য পুরো দল মানিয়ে নেবে এবং ভালো প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জয় পেলে আমরা সেরা তৃতীয় দলের হিসাবেও শেষ আটে পৌঁছানোর সুযোগ রাখতে পারি। তাই পুরো দলকে একত্রিত হয়ে আরও কঠোরভাবে কাজ করতে হবে।
ম্যাচ শেষে কোচ ও খেলোয়াড়রা জানান, গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচে কৌশলগত পরিকল্পনা এবং শারীরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে হবে। বাংলাদেশের ফ্যানদের জন্য এখন শেষ আশা উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের দিকে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি