| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে প্রলয়ঙ্করী বিমান, বাড়ছে পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ০৭, ২০২৬ ইং | ১০:০৯:৩৮:পূর্বাহ্ন  |  ১০৩৩১৪ বার পঠিত
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে প্রলয়ঙ্করী বিমান, বাড়ছে পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে আবার দেখা গেছে ‘ডুমসডে প্লেন’ বা প্রলয়ঙ্করী বিমান। ইরানকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া শান্তিচুক্তি মেনে নেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, সোমবার (৬ এপ্রিল) নেব্রাস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটির ওপর আমেরিকার এ বিশেষ বিমানকে চক্কর দিতে দেখা গেছে।বোয়িং ই-৪বি নাইটওয়াচ বিমানটি মূলত পারমাণবিক যুদ্ধের সময়ে জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দিতে এবং সরকারের কার্যক্রম সচল রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। আকাশে ভাসমান ইউএস স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের এ সদর দপ্তরের অবস্থান ফ্লাইট ট্র্যাকারের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে (ইএসটি) অফুট থেকে উড্ডয়ন করে এবং ঘাঁটিতে ফিরে অবতরণের আগে এলাকাটির চারপাশে অন্তত ছয়বার চক্কর দেয়।

উচ্চ উত্তেজনার মুহূর্তে ফ্লাইট ট্র্যাকারের মাধ্যমে বিমানটির গতিবিধি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলার ১২ দিনের যুদ্ধ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে এর একটি ফ্লাইট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

ট্রাম্প এখন ইরানকে তার শান্তি পরিকল্পনায় সম্মত হতে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র এই ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলো ধ্বংস করে দেবে।

সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, পুরো দেশটাকে এক রাতেই নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া যেতে পারে এবং সেই রাতটা হতে পারে আগামীকাল (৭ এপ্রিল) রাত।

যুক্তরাষ্ট্রের চারটি ই-৪বি বিমানের একটি বহর রয়েছে, যা সামরিক প্রস্তুতি বজায় রাখার জন্য সারা বছর নিয়মিত উড্ডয়ন করে।

জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ নিশ্চিত করার জন্য ‘নাইটওয়াচ’ বিমানটি প্রেসিডেন্ট, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধানদের জন্য একটি আকাশস্থ কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করে।

তিনটি ডেক জুড়ে ১৮টি বাঙ্ক, একটি ব্রিফিং রুম, টিমওয়ার্ক এলাকা, কনফারেন্স রুম, কমান্ড রুম এবং একটি নির্দিষ্ট বিশ্রাম এলাকা থাকায়, বিমানটিকে জাতীয় জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে একটি ‘উড়ন্ত পেন্টাগন’ হিসেবে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

বিমানটিকে পারমাণবিক বিস্ফোরণ, সাইবার আক্রমণ, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হতে পারে এমন অন্যান্য দুর্যোগ প্রতিরোধ করার জন্য ব্যাপকভাবে উন্নত করা হয়েছে।প্রতিটি ই-৪বি নাইটওয়াচ সর্বোচ্চ ১১২ ক্রু বহন করতে পারে এবং এর পাল্লা ৭ হাজার মাইলেরও বেশি।

এছাড়া এই বিমানে তাপীয় ও পারমাণবিক সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে এবং এর রে ডোমে থাকা ৬৭টি স্যাটেলাইট ডিশ ও অ্যান্টেনার কল্যাণে এটি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।

সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

রিপোর্টার্স২৪/এন এইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪