নিজস্ব প্রতিবেদক :‘কৃষক কার্ড’ প্রি-পাইলটিং প্রোজেক্ট উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে যাচ্ছেন। প্রথম দিনে প্রাক পাইলটিং পর্যায়ের ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষককে কার্ড বিতরণ করা হবে। পরের দুইটি ধাপে সব কৃষককেই ডিজিটাল এ প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে।
সরকারের হিসেবে, কৃষকদের ভাগ করা হয়েছে ৩টি ক্যাটাগরিতে। ৫ শতাংশের কম জমির মালিক হলে ‘ভূমিহীন’, ৫ থেকে ৪৯ শতাংশের মালিক হলে ‘প্রান্তিক’ আর ৫০ থেকে ২৪৯ শতাংশ জমির মালিককে ‘ক্ষুদ্র কৃষক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার।
শুরুতে এ ৩ শ্রেণির কৃষককে কার্ডের আওনায় আনা হলেও ধাপে ধাপে সব কৃষককেই দেয়া হবে কার্ড। মৎস্যজীবী, প্রাণিসম্পদ খামারি এবং লবণ চাষিরাও যুক্ত হবে এই প্লাটফর্মে।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কেউ কেউ পাবেন মাসিক আড়াই হাজার টাকার ভাতা; কেউ পাবেন ভর্তুকিযুক্ত সার ও কৃষি উপকরণ; মিলবে কৃষিঋণসহ ১০টি সুবিধা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রত্যাশা—এর মধ্য দিয়ে সরকারের সঙ্গে কৃষকের দূরত্ব কমবে, দূর হবে দুর্নীতি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪৫ শতাংশ কৃষক বর্গাচাষি। তবে তাদের শনাক্তকরণ সহজ নয়। কৃষক কার্ডকে কার্যকর করতে হলে নির্ভুল, হালনাগাদ এবং যাচাইযোগ্য ডাটাবেস তৈরি করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন কৃষি গবেষকরা।
রিপোর্টার্স২৪/এম এইচ