ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের পর এত দ্রুত সময়ে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উদাহরণ খুব কম রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “নির্বাচনের কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। একইভাবে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক ভাতার পাইলট প্রকল্প চালু করেছি এবং কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছি।”
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কৃষি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “আজ আমাদের জন্য একটি গৌরবময় দিন। কারণ, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এই উদ্বোধনী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মধ্যে শৈলকুপা উপজেলাও রয়েছে। আজ এই ইউনিয়নের ১ হাজার ৬৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।”
কৃষি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ, পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজাল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারাদেশে কৃষকদের মাঝে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার মোট ২ হাজার ২৬০ জন কৃষকের হাতে কৃষি কার্ড ও একটি করে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে একজন কৃষক ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি সহায়তা পাবেন। এর অংশ হিসেবে শৈলকুপা উপজেলার ১ হাজার ৬৮০ জন কৃষক কৃষি কার্ডের আওতায় এসেছেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন