| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সাপে দংশনের পর সাপ নিয়ে হাসপাতালে দুইজন

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ইং | ০৭:৩৬:৫৪:পূর্বাহ্ন  |  ১৩৩০৩৪ বার পঠিত
সাপে দংশনের পর সাপ নিয়ে হাসপাতালে দুইজন

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে খেতে কাজ করার সময় বিষধর রাসেলস ভাইপারের দংশনের শিকার হয়েছেন এক যুবক। একই ধরনের আরেকটি ঘটনায় চাঁদপুরে সাপ ধরতে গিয়ে কামড় খেয়েও সেটি ধরে বাড়িতে নিয়ে যান এক তরুণ। দুটি ঘটনাই নতুন করে নদী ও চরাঞ্চলে সাপের উপদ্রব নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

শুক্রবার (তারিখ) সকালে ঈশ্বরদী উপজেলার কৈকুন্না গ্রামে কলাবাগানে কাজ করার সময় মো. রুবেল (২৬) নামে এক যুবককে রাসেলস ভাইপার সাপ কামড় দেয়। তিনি ওই গ্রামের জিনাত আলীর ছেলে। পরে সাপটিকে পিটিয়ে মেরে বস্তাবন্দি করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিল্লাল হোসেন জানান, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর রুবেলকে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন।

এর আগে গত ৩০ মে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় একই ধরনের ঘটনায় ধান কাটার সময় সাপের দংশনে আহত হন কৃষক হেফজুল ইসলাম। তিনিও সাপটি মেরে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হন।

অন্যদিকে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মেঘনা নদীর পাড়ে সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে মো. সোহেল (৩১) নামে এক তরুণ রাসেলস ভাইপারের কামড়ে আহত হন। সোমবার সকালে এখলাসপুর ইউনিয়নের নদীপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সোহেল জানান, নদীর পাড়ে একটি জালে আটকে থাকা বড় আকৃতির সাপটি ছাড়াতে গেলে সেটি তার হাতে কামড় দেয়। এরপরও তিনি সাপটি ধরে পলিথিন ব্যাগে ভরে বাড়িতে নিয়ে যান। পরে সেটি সংরক্ষণ করে দ্রুত চাঁদপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে অ্যান্টিভেনম নেন। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মেঘনা নদীর পাড় ও আশপাশের চরাঞ্চলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিষধর সাপের উপদ্রব বেড়েছে। অনেক সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিভেনমের সংকট থাকায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

এ বিষয়ে এখলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী বলেন, বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সাপে কামড় দিলে কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান জানান, হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজন অনুযায়ী ভেনম প্রয়োগ করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

নদীপাড় ও গ্রামীণ এলাকায় বিষধর সাপের উপস্থিতি বাড়তে থাকায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪