| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সাংবাদিক শওকত মাহমুদ জামিনে মুক্ত

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২৬, ২০২৬ ইং | ২২:৩৬:৪৭:অপরাহ্ন  |  ৬৪৩ বার পঠিত
সাংবাদিক শওকত মাহমুদ জামিনে মুক্ত

স্টাফ রিপোর্টার: সাড়ে পাঁচ মাস পর জামিনে ছাড়া পেয়েছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব শওকত মাহমুদ।

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় মুক্তি পেয়ে তার বাসায় ফেরার কথা বলেছেন বড় মেয়ে মেহেত মামুন।

সবশেষ শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিন পান সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে নাম লেখানো শওকত মাহমুদ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

তার মেয়ে মেহেত মামুন বলেন, উচ্চ আদালত থেকে বাবার জামিন হয়েছে গত সপ্তাহে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে সোমবার রাতে তাকে বাসায় আনা হয়েছে।

শওকত মাহমুদ দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ দাবি করে তিনি বলেন, “এখন তার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার অপেক্ষায় আছি। সরকার তার শারীরিক বিষয়টি আমলে নেওয়ায় আমরা পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞ।”

বাবার অসুস্থতার কথা তুলে ধরে তার মেয়ে মেহেত মামুন ১ এপ্রিল শওকত মাহমুদের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকার ‘উৎখাতের ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে যে মামলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার হন, সেই মামলায় শওকত মাহমুদকে ৭ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়।

এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর ১৬ মার্চ তাকে নতুন করে শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ মামলা করা হয়েছিল আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন) ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নাসহ ১৬ জনকে।

এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ অগাস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়া।

প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত বছর ২৮ অগাস্ট সকাল ১০টায় একটি গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বেলা ১১টায় ওই অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর মধ্যেই একদল ব্যক্তি হট্টগোল করে স্লোগান দিয়ে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন। একপর্যায়ে তারা অনুষ্ঠান স্থলের দরজা বন্ধ করে দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে লাঞ্ছিতও করেন। পরে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ওই অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে যাওয়া লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক কার্জন, সাংবাদিক পান্নাকে।

শওকত মাহমুদকে এ মামলায় ‘তদন্তে প্রাপ্ত’ আসামি হিসেবে বর্ণনা করে তাকে ১৬ মার্চ গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪