| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু, আদালতে হাজির সোহেল-স্বপ্না

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ০৪, ২০২৬ ইং | ১২:৪০:৪৮:অপরাহ্ন  |  ১৯৭ বার পঠিত
রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু, আদালতে হাজির সোহেল-স্বপ্না

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে হত্যা করার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

বেলা পৌনে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়। এর আগে মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে সকাল ৮টার দিকে আদালতে হাজির করা হয় এবং মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টা ২৪ মিনিটে আসামি সোহেল রানাকে এজলাসে তোলা হয়। তবে শুনানির আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন অপর আসামি স্বপ্না খাতুন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সকাল ১১টা ৩৮ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানান। অন্যদিকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ যুক্তি উপস্থাপন করেন।

এর আগে গত ১ জুন আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। পরদিন অভিযোগপত্রভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়। গতকাল আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। একই দিনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান আসামি স্বপ্না খাতুন এমন অভিযোগ রয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।

পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা আসামিদের কক্ষের সামনে তার জুতা দেখতে পান। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। সেখানে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয়।

এদিকে ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঘটনার পরদিন ২০ মে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪