| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৬, ২০২৬ ইং | ২১:১৩:৩৪:অপরাহ্ন  |  ৯৩৬ বার পঠিত
দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

রিপোর্টার্স ডেস্ক: দীর্ঘ বিরতির পর দেশে আবারও দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৮ জুন। এ ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, এবারের ক্যাম্পেইনে দুই কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৪ জন এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২ কোটি ৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৮ জন।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনূস আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া, আরও ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ক্যাপসুল ইতোমধ্যে আমাদের হাতে পৌঁছেছে। কিছু ক্যাপসুল বাকি আছে, সেগুলোও আগামী ১৯ তারিখের মধ্যে হাতে পাব বলে আশা করছি। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অভিভাবকেরা কাছাকাছি কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে তাদের সন্তানদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন।’

এদিকে, আজ সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন আমরা আবার হাতে নিয়েছি। ক্যাম্পেইনটি সফল করতে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ১৯ কোটি প্রাক-বিদ্যালয় বয়সী শিশু ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতির ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব শিশুর অধিকাংশই আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বসবাস করে। ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, রাতকানা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে।

শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। তখন এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সালে কার্যক্রমটি আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় টিকাদান দিবসের সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি যুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সাল থেকে এর নাম দেওয়া হয় ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’। ২০১১ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

রিপোর্টার্স২৪/ মিতু

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪