| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর হার কমেছে

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১১, ২০২৬ ইং | ২২:০০:৫৭:অপরাহ্ন  |  ৬৩৬ বার পঠিত
ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর হার কমেছে

রিপোর্টার্স ডেস্ক: বাংলাদেশে ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর হার কমেছে। ২০১৯ সালে এ হার ছিল ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশে।

একই সময়ে জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর হার ৪৬ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমে ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে এক যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

সংস্থা দুটি বলেছে, বাংলাদেশে বুকের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় মা ও পরিবারের জন্য সহায়তা আরো জোরদার করা জরুরি।

বাংলাদেশের ২০২৫ সালের একাধিক সূচকভিত্তিক জরিপের (এমআইসিএস) তথ্য তুলে ধরে তারা জানায়, বুকের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

যৌথ বিবৃতিতে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি (ভারপ্রাপ্ত) গিলিয়ান মেলসপ ও ডব্লিউএইচওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. আহমেদ জামশিদ মোহাম্মদ বলেন, শিশুর জীবনের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ও টেকসই সূচনা নিশ্চিত করে মায়ের বুকের দুধ। জন্মের পর প্রথম ছয় মাসে শিশুর প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি এটি সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে।

সংস্থা দুটি বলেছে, বুকের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে মায়েদের পর্যাপ্ত পরামর্শ, উৎসাহ ও ব্যবহারিক সহায়তা প্রয়োজন।

অনেক মা সন্তান জন্মের পর পর্যাপ্ত মাতৃত্বকালীন সুরক্ষা ছাড়াই কর্মস্থলে ফিরে যান। কর্মক্ষেত্রে বুকের দুধ খাওয়ানোর উপযোগী পরিবেশের অভাবও বড় বাধা। মায়ের দুধের বিকল্প পণ্যের অনুপযুক্ত বিপণনও এ ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এবারের বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘টেকসই জীবনের সূচনায় বুকের দুধ : কার্যকর উদ্যোগগুলোকে শক্তিশালী করা’। এ প্রসঙ্গে ইউনিসেফ ও ডব্লিউএইচও বলেছে, বুকের দুধ খাওয়ানোর কার্যকর সমাধানগুলো ইতিমধ্যে জানা আছে।

শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা, দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী, সামাজিক সহায়তা, শিশুবান্ধব হাসপাতাল উদ্যোগ, মাতৃত্বকালীন সুরক্ষা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর উপযোগী কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বুকের দুধ খাওয়ানোর পেছনে প্রতি ১ মার্কিন ডলার বিনিয়োগে আনুমানিক ৫৯ ডলার অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া যায় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, স্বাস্থ্যকর্মী, নিয়োগকর্তা ও কমিউনিটিকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থা দুটি। কর্মজীবী মায়েদের জন্য বেতনসহ ছুটি, বুকের দুধ খাওয়ানোর বিরতি এবং উপযোগী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি মায়ের দুধের বিকল্প পণ্যের অনুপযুক্ত বিপণন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪