| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নওগাঁয় জাতীয় ফল ও আম মেলা নিয়ে বিতর্ক

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৯, ২০২৬ ইং | ২০:১৯:০৫:অপরাহ্ন  |  ১৩০৮ বার পঠিত
নওগাঁয় জাতীয় ফল ও আম মেলা নিয়ে বিতর্ক

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল ও আম মেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক। মেলার আয়োজন ও অংশগ্রহণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে, মেলার নামে বরাদ্দ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র উদ্বোধন ও ফটোসেশনের মধ্যেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এতে সরকারের কৃষকবান্ধব উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেক কৃষি উদ্যোক্তা ও সচেতন মহল।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে আম মেলা এবং বদলগাছী কৃষি প্রশিক্ষণ হলরুমে পৃথকভাবে ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বদলগাছী উপজেলা পর্যায়ের মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি।

তবে উদ্বোধনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই উভয় মেলা প্রাঙ্গণ কার্যত ফাঁকা হয়ে পড়ে বলে জানা গেছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে অধিকাংশ স্টল ফাঁকা এবং কোথাও কোনো কার্যক্রম নেই। বদলগাছীর কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও দর্শনার্থী ও কৃষকের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে।

স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল বলছেন, মেলার মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষিপণ্য প্রদর্শন, কৃষকের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং কৃষি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা। কিন্তু নির্দিষ্ট স্থানে ও সীমিত পরিসরে আয়োজন করায় প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকেই মেলার স্থান নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বদলগাছীর তিলবদলী গ্রামের কৃষক খালেকুজ্জামান লিটন বলেন, “আমরা জানতেই পারিনি যে কৃষি অফিসে মেলা হচ্ছে।”

অন্যদিকে বদলগাছীর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, “নির্দেশনা অনুযায়ী মেলা আয়োজন করা হয়েছে, কৃষকরা আসবেন কি না তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।”

তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দাবি করেন, বরাদ্দ অনুযায়ী অফিসের বাইরে আয়োজন করা সম্ভব ছিল না এবং কৃষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রচার চালানো হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, জেলা পর্যায়ের মেলায় কৃষকের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য এবং বিকেলের দিকে উপস্থিতি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় মেলার কার্যকারিতা, স্বচ্ছতা ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন নিয়ে স্থানীয়ভাবে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪