| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তাজিয়া মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণের অভিযোগ

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২৯, ২০২৬ ইং | ০৭:২৯:০১:পূর্বাহ্ন  |  ১৯৮২ বার পঠিত
তাজিয়া মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই-এ আশুরার তাজিয়া মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, তার পরিকল্পনা সফল হলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারত।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার (২৬ জুন) বাইকুল্লা এলাকার তাজিয়া মিছিল চলাকালে সন্দেহজনকভাবে ক্যাপসুল বিতরণ করার সময় ফাইয়াজ প্রেমজি নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিপুলসংখ্যক মানুষের ক্ষতি করার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ জানায়, মিছিলে বিতরণ করা কিছু ক্যাপসুল সেবনের পর অন্তত ১১ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকদের পরীক্ষায় ক্যাপসুলে বিষাক্ত রাসায়নিক জিঙ্ক ফসফাইড-এর উপস্থিতি পাওয়া যায়। বর্তমানে আক্রান্ত সবাই আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ক্যাপসুলগুলোকে ব্যথানাশক ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ওষুধ হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করেছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ ক্যাপসুল জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, জব্দ করা ক্যাপসুলের সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার ৯০০টি। এছাড়া আরও ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল ও বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক সংগ্রহের তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশের উপকমিশনার জয়ন্ত মীনা জানান, অভিযুক্তের কাছে এ ধরনের ক্যাপসুল বিতরণের কোনো অনুমোদন ছিল না। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এর পেছনে অন্য কোনো সংগঠন বা নেটওয়ার্ক জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার সময় কয়েকজন নারী স্বেচ্ছাসেবকের তৎপরতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের সন্দেহের ভিত্তিতেই দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেওয়া হয় এবং মাইকে ঘোষণা দিয়ে মিছিলের অংশগ্রহণকারীদের ক্যাপসুল গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জিঙ্ক ফসফাইড শরীরে প্রবেশ করলে পাকস্থলীর অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অত্যন্ত বিষাক্ত ফসফিন গ্যাস তৈরি করে, যা হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস, যকৃত, কিডনি ও মস্তিষ্কের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই বিষের নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক না থাকায় দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণই একমাত্র কার্যকর ব্যবস্থা।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪