জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করে অব্যয়িত ১০ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি অর্থের সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের এ উদ্যোগ স্থানীয় প্রশাসনের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে বাগজানা ইউনিয়নের সোনাপুর-খোর্দ্দমশুল-ঝিনাইগাড়ী হয়ে সোনামনু মাস্টারের জমি থেকে জীবনপুর অভিমুখে ১ হাজার ৮০০ মিটার খাল পুনর্খননের জন্য ৩১ লাখ ৭৯ হাজার টাকা এবং কুসুম্বা ইউনিয়নের ঢাকারপাড়া আকরামের বাড়ি থেকে কুসুম্বা সুইচগেট পর্যন্ত ৬০০ মিটার খাল পুনঃখননের জন্য ৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সরকারি নির্দেশনা অনুসারে পুনঃখনন কাজ শেষ হওয়ার পর বর্ষা মৌসুমে কয়েক দফা খালের পাড় সংস্কার করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও পাড়ের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে খালের দুই তীরে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সোনাপুর-জীবনপুর খাল পুনঃখননে ব্যয় হয়েছে ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮৫ টাকা। ফলে এ প্রকল্পে অব্যয়িত থাকে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ১১৫ টাকা।
অন্যদিকে, ঢাকারপাড়া-সুইচগেট খাল পুনর্খনন প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫০ টাকা, যেখানে অব্যয়িত থাকে ৫২ হাজার ১৫০ টাকা। দুটি প্রকল্প মিলিয়ে মোট ১০ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাগজানা ও কুসুম্বা ইউনিয়নের দুটি খাল পুনঃখনন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শ্রমিকদের মজুরি সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। সব ধরনের ব্যয় নিষ্পত্তির পর অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সংশ্লিষ্ট কমিটির আন্তরিকতার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব