এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক: একসময় নতুন সিনেমা মুক্তি পেলেই দর্শকের ভিড়ে মুখর থাকত সিনেমা হল। এখন সেই চিত্র অনেকটাই অতীত।
বছরের অধিকাংশ সময়ই ফাঁকা পড়ে থাকে আসন, লোকসান গুনতে গুনতে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে দেশের অধিকাংশ প্রেক্ষাগৃহ। কেউ কেউ দরজাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ তালিকায় সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে দেশের দুটি ঐতিহ্যবাহী হল। এর একটি কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মধুমতি, অন্যটি রংপুরের শাপলা টকিজ।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একসময় চারটি সিনেমা হল ছিল। এরমধ্যে ভৈরব বাজারে মেঘনার পাড়ে ছবিঘর, রেলওয়ে স্টেশনের পাশে পলাশ আর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুই পাশে মধুমতি ও দর্শন।
অনেক আগেই বন্ধ হয়েছে ছবিঘর আর পলাশ। সবশেষ টিকে ছিল মধুমতি ও দর্শন। গত বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ হয়ে গেছে মধুমতি।
এদিকে উত্তরবঙ্গের রংপুরে প্রথম হল ছিল মডার্ন হল। সেটি বন্ধ হওয়ার পর রংপুরে একে একে গড়ে ওঠে শাপলা টকিজ, দরদী হল, ওরিয়েন্টাল, লক্ষ্মী টকিজ, নূর মহল, চায়না টকিজ, সেনাহলসহ মোট ১০টি সিনেমা হল। এর আগেই বাকি সিনেমা হলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। এবার সর্বশেষ সিনেমা হল শাপলা টকিজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে রংপুর সিনেমা হল শূন্য হয়ে গেল।
শাপলা টকিজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৮ সালে। দীর্ঘদিনের লোকসানের কারণে শুক্রবার থেকে বন্ধ করে দিয়েছে মালিকপক্ষ। ফলে বিভাগীয় শহরটিতে আর কোনো সিনেমা হল থাকলো না। শনিবার গণমাধ্যমকে সিনেমা হল বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হল ব্যবস্থাপক শাহাবুদ্দিন।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব