| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ককরোজদের ‘আরশোলা’ বলে কটাক্ষ, দেশ থেকে তাড়ানোর পরামর্শ

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ০২, ২০২৬ ইং | ২১:৩৫:০৭:অপরাহ্ন  |  ৩৪২২৪ বার পঠিত
ককরোজদের ‘আরশোলা’ বলে কটাক্ষ, দেশ থেকে তাড়ানোর পরামর্শ

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক: প্রশ্ন ফাঁসকে কেন্দ্র করে ভারতের ককরোজ জনতা পার্টির আন্দোলনে কেঁপে উঠেছিল নরেন্দ্র মোদির মসনদ। দেশটির বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও একজোট হয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে সে দলে ছিলেন না ‘শক্তিমান’ খ্যাত অভিনেতা মুকেশ খান্না। এবার তিনি আন্দোলনকারিদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে রেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন মুকেশ। সেখানে বলেছেন, ‘আমি এখন ভারতে নেই। কিন্তু ইনস্টাগ্রাম রিলস ও ইউটিউবের মাধ্যমে দেশের খবর রাখি। দুই দিন আগে জেন জ়ি-দের নিয়ে একটি ভিডিও করেছিলাম। যদি আজ থেকে ২৫ বছর পর দেশের দায়িত্ব এদের কাঁধে ওঠে, তা হলে দেশের কী অবস্থা হবে, তা সহজেই বোঝা যায়।’

এরপর বলেন, ‘এখন আমি নিশ্চিত, এরা (সিজেপি) মোটেই নিট প্রশ্নফাঁসের মতো প্রকৃত ইস্যু নিয়ে রাস্তায় নামা ছাত্রছাত্রী নয়। অন্য কেউ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করেছে। যারা তাঁদের রাস্তায় নামিয়েছে, দায় তাদেরই। পড়ুয়াদের এগিয়ে দিয়ে, তাঁদের দিয়ে অপমানজনক ভাষা বলানো হয়েছে। সরকারের পতন ঘটানোই ওই দলের উদ্দেশ্য। আর এরাই আবার রাতভর পার্টি করে বেড়ায়।’

আন্দোলনকারীদের আরশোলা বলে কটাক্ষ করে অভিনেতা বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এরা সত্যিই আরশোলা। যেমন বাড়ি থেকে আরশোলা তাড়িয়ে দেওয়া হয়, তেমনই এদেরও তাড়িয়ে দেওয়া উচিত। এ আন্দোলন কখনোই নিট-এ ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য ছিল না। এটি ছিল একটি আর্থিক মদতপুষ্ট আন্দোলন, যার পিছনে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কাজ করছে।’

আন্দোলনকারীদের অনেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নোংরা ভাষায় গালাগাল করেছেন। মুকেশের দাবি, ‘যারা এমন অশালীন ভাষা ব্যবহার করে, তারা কখনওই নিট-এ ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রছাত্রীদের প্রকৃত প্রতিনিধি হতে পারে না। এরা বিক্রি হয়ে গিয়েছে এবং সরকারের বিরুদ্ধে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। ছাত্রছাত্রীদেরও সতর্ক করতে চাই— যা করছেন, তার প্রভাব ভবিষ্যতে পড়বে। আপনাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পথে চলতে থাকলে পুলিশ বা সরকারের কাছ থেকে কোনও সাহায্য পাবেন না। চাকরি পাওয়া কিংবা ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে। তাই সময় থাকতে সরে আসুন।’ ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘দেরি হওয়ার আগেই এই আরশোলাদের ছুড়ে ফেলে দিন।’

ককরোজ পার্টির আন্দোলন ছিল মূলত শিক্ষাব্যবস্থার দুর্নীতি, প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষায় ব্যাপক খরচ এবং সার্বিকভাবে দেশের পড়ুয়াদের প্রতি কেন্দ্রের দায়বদ্ধতার অভাব নিয়ে। আন্দোলনে যোগ দিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন শাবানা আজমি। জিয়াগঞ্জ থেকে গর্জে ওঠেন অরিজিৎ সিং। পাঞ্জাব থেকে হুংকার দেন দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ। এছাড়াও স্বশরীরে যোগ দেন প্রকাশ রাজ, স্বরা ভাস্কর প্রমুখ।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪