| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঘাটাইলে গ্রামীন সড়কের বেহাল দশা! চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬ ইং | ১৭:২৪:৫৬:অপরাহ্ন  |  ২৪১ বার পঠিত
ঘাটাইলে গ্রামীন সড়কের বেহাল দশা!  চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের ঘোড়াদহ খালপাড় পাকা সড়ক থেকে শরাতৈল প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত  এক কিলোমিটার সড়কের বেহল দশা। সড়কটি বছরের পর বছর ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাঁচা সড়কটি কাদায় একাকার হয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়ে এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকাবাসীর । স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী ও সাধারণ পথচারীসহ কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। লাল মাটির এই কাঁচা সড়কটি দৈন্য দশায়  থমকে যায় এখানকার গ্রামীণ অর্থনীতি। বিশেষ করে, হুমকির মুখে পড়ছে কোমলমতি শিশুদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত ব্যবস্থা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষাকালে সড়কটি এলাকাবাসীর জন্য চরম অভিশাপে রূপ নেয়। ভোগান্তিতে পড়তে হয় কয়েক গ্রামের মানুষদের। সড়কটি যান চলাচলের অনুপযোগী থাকায় সরাশাক, মুসুল্লিপাড়া ও কামারপাড়াসহ কয়েক গ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে সরবরাহ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষকরা।

এলাকাবাসী জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সড়কটির একই চিত্র দেখা গেলেও স্থায়ীভাবে পাকাকরণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি ও সংশিষ্ট দপ্তরের কাছে দাবি জানিয়ে আসলেও এখনো মেলেনি স্থায়ী সমাধান। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। কিন্তু সড়কে কাদা জমে থাকার কারনে হাঁটাচলা করা যায় না, কাদাযুক্ত পানতে কাপড়-চোপড় নষ্ট হয়ে যায়।

স্থানীয় কৃষক রমেশ কোচ বলেন, বর্ষাকালে মাঠ থেকে বিভিন্ন কৃষিপণ্য বাজারে নিতে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হয়। কাদায় গাড়ি চলাচল করে না অনেক সময় যানবাহন সড়কে আটকে যায়, এমনকি উল্টেও পড়ে। এতে কৃষকদের পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.আনিসুর রহমান বলেন, সড়কটি শুধু একটি গ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম নয়; আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্যও এটি গুরত্বপূর্ণ। অথচ বছরের পর বছর পাকা না হওয়ায় জনদুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

সরাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃদুল চন্দ্র ঘোষ বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী আছে। বর্ষা শুরু হলেই কোমলমতি শিশুদের বিদ্যালয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থী কাদা মাড়িয়ে আসতে না পেরে অনুপস্থিত থাকে। এতে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তাদের লেখাপড়ায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এক কিলোমিটার এই কাঁচা সড়কটি পাকাকরণের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ দূর করতে এবং ঝিমিয়ে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে গতিশীল করতে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪