| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬ ইং | ১৬:৪৪:১৮:অপরাহ্ন  |  ৪৩২ বার পঠিত
আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলা এবং সংকটকালীন সময়ে শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গ্যাসের সংকটে যাতে দেশের শিল্পকারখানাগুলো উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার মুখে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই সরকার একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গভীর সমুদ্রে নতুন একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন এই টার্মিনাল চালু হলে দেশে গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে আকস্মিক বা সংকটকালীন সময়ে শিল্পকারখানায় প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখার সুযোগ তৈরি হবে। এ ক্ষেত্রে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) আওতাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংসদ নেতা বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলোর সুফল ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। আগামী দিনে এসব উদ্যোগের আরও ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতেও সরকার বিশেষভাবে উৎসাহ দিচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিজস্ব ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহকারী গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যারা এ ধরনের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে ১০ টাকা ৫০ পয়সা করে মূল্য পাবেন।

এদিকে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার প্রবণতা ঠেকাতেও সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে সঠিক ও নির্ভুল সমীক্ষা নিশ্চিত করা, প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতিমূলক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা এবং বাস্তবায়ন পর্যায়ে নিবিড় তদারকি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন মেগাপ্রকল্পে অতিরঞ্জিত ব্যয় এবং দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কয়েকটি প্রকল্পের তদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে জনগণ যাতে কম খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পায়, সরকার সে বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরের দুর্নীতি ও দুঃশাসন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার যে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল, সেটিকে ভিত্তি হিসেবে সামনে রেখে বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়ের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪