| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দণ্ডিত ৭ আসামির অবস্থান শনাক্ত হলেই গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ইং | ১৫:১৪:৪৪:অপরাহ্ন  |  ৮৫ বার পঠিত
দণ্ডিত ৭ আসামির অবস্থান শনাক্ত হলেই গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। দণ্ডিত আসামিরা বর্তমানে কে কোথায় রয়েছেন এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও তাদের অবস্থান শনাক্ত করা গেলে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

দণ্ডিত আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে আমরা আশ্বস্ত করতে পারি, যেহেতু তারা এখন দণ্ডপ্রাপ্ত, তাদের অবস্থান যদি আমরা শনাক্ত করতে পারি, তাহলে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেব।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় কিছু অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব সম্পদ থেকে প্রাপ্ত অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন বা সংবিধিবদ্ধ অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের মধ্যে বণ্টনের কথা রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ আনা হয়েছিল। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অধিকাংশ আসামির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল এ রায় দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ রায়ে শুকরিয়া আদায় করছি। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি এবং ব্যক্তিগত দায়ের বিষয়টি সাক্ষ্যপ্রমাণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় বৈঠকে কারফিউ ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর ওবায়দুল কাদেরের ‘শুট অ্যাট সাইট’ নির্দেশের পর নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটে।

মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ কয়েকজন বিভিন্ন গণমাধ্যমের ফেসবুক পেজে মন্তব্য করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালে তাদের বিরুদ্ধে চলা বিচারকার্য সম্পর্কে আসামিরা অবগত ছিলেন। কিন্তু বিচারপ্রক্রিয়া মোকাবিলা না করে তারা পলাতক রয়েছেন।

তিনি বলেন, এতে পরিষ্কার বুঝতে হবে যে আসামিরা ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক। তারা অপরাধ করেছেন বলেই পলাতক রয়েছেন। তাদের যেকোনো বক্তব্য আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধী ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক থাকলে আইন অনুযায়ী যেভাবে বিচারকার্য পরিচালনার বিধান রয়েছে, সেভাবেই তাদের বিচার সম্পন্ন হয়েছে। ফলে এ বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোরও মন্তব্য করার কোনো অবকাশ নেই বলে জানান তিনি।

আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রায় প্রকাশের পর আপিলের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা থাকবে। এই ৩০ দিনের মধ্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়তো সুযোগ থাকবে না।

তবে ৩০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আদালতের রায় বাস্তবায়নে আইনগত কোনো বাধা থাকবে না বলেও জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪