| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইরান বিষয়ে আমাকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে: ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ইং | ১৫:৫৩:৩৮:অপরাহ্ন  |  ২৮৭ বার পঠিত
ইরান বিষয়ে আমাকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে: ট্রাম্প

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইরানে আবারও বড় পরিসরে সামরিক হামলা চালানো হবে কি না, তা নিয়ে ভাবছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মাসের পর মাস চলা যুদ্ধ কীভাবে শেষ করা যায়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার মধ্যেই এমন মন্তব্য করলেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ বরাতে আলজাজিরা ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েল সংবাদ প্রকাশ করেছে।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর সাংবাদিক বারাক রাভিদের সঙ্গে ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমাকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি কি ভেতরে গিয়ে তাদের (ইরানি শাসনব্যবস্থাকে) নিশ্চিহ্ন করে দেব, নাকি দেব না? ট্রাম্প রাভিদকে একটি ফোন সাক্ষাৎকারে বলেন।

এটি একটি বড় সিদ্ধান্ত। আমার সঙ্গে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে যোগ করেন তিনি।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। ইরান যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ ওই বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য হতে পারে। বৈঠকে উপসাগরীয় দেশগুলোর অবস্থান জানার পর ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে চান বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেন, তারা কোথায় আছে এবং কেমন করছে, তা জানতে চাই। আমরা তাদের প্রতি খুবই সুরক্ষামূলক ছিলাম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোও ইরানের হামলার লক্ষ্য হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাভিদের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প পরবর্তী পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, নাকি নির্বাচনের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান সামরিক অবস্থান অনির্দিষ্টকাল ধরে বজায় রাখা কঠিন। তার ভাষায়, একপর্যায়ে আপনাকে ঠিক করতে হবে যুদ্ধের শেষ লক্ষ্য কী।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। তাদের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি দূর করা, দেশটির শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং আঞ্চলিক মিত্র নেটওয়ার্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করা।

এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবহন হওয়া জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আগে এই পথ দিয়ে যেত। অবরোধের ফলে তেলের দাম বেড়ে যায় এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ে।

এপ্রিলের শুরু থেকে ইসরায়েল ও ইরানের সরাসরি সংঘাত অনেকটাই বন্ধ রয়েছে, জুনে একবার এর ব্যতিক্রম ঘটেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা ও সহিংসতা বিভিন্ন সময়ে বেড়েছে। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর।

সামরিক অভিযান অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এখন অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার ওপর জোর দিচ্ছে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে ইরানকে বাধ্য করাই এর অন্যতম লক্ষ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এখনো প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেয়নি তেহরান।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম 

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪