| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

এয়ারবাসের জন্য বাংলা‌দে‌শে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চান ফরা‌সি রাষ্ট্রদূত

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ইং | ১৪:১৫:৪৪:অপরাহ্ন  |  ৩৭৯ বার পঠিত
এয়ারবাসের জন্য বাংলা‌দে‌শে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চান ফরা‌সি রাষ্ট্রদূত

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বাংলাদেশে এয়ারবাসের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে। তিনি বলেছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এয়ারবাস কেনার বিষয়ে আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত।

জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বলেন, কয়েক বছর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কারিগরি মূল্যায়ন ও বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে এয়ারবাস কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তাদের বহরে এয়ারবাস থাকা বিমান বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও সুবিধাজনক হতে পারে। বিশ্বের বড় বড় অনেক বিমান সংস্থাই তাদের বহরে দুই ধরনের উড়োজাহাজ রাখে এয়ারবাস ও বোয়িং।

তিনি বলেন, কোনো একটি কোম্পানির ওপর এককভাবে নির্ভরশীল না থেকে দুটি প্রতিষ্ঠানের উড়োজাহাজের সুবিধা তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমন একটি এয়ারবাস উড়োজাহাজ রয়েছে, যা কোনো বিরতি ছাড়াই ঢাকা থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে পৌঁছাতে সক্ষম। তার দাবি, এই সক্ষমতা বিশ্বের অন্য কোনো উড়োজাহাজের নেই।

ফরাসি রাষ্ট্রদূতের ভাষ্য, বিমান বাংলাদেশ এয়ারবাসকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কোনো বিষয় কাজ করেনি; বরং এর পেছনে যৌক্তিক ও কারিগরি কারণ রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্বের শত শত বিমান সংস্থা এয়ারবাস ব্যবহার করছে। ফলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারবাসের প্রতি আগ্রহ দেখিয়ে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেই তিনি মনে করেন।

এ সময় বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার প্রসঙ্গেও কথা বলেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, আমেরিকান কোম্পানি বোয়িং কিছু উড়োজাহাজ বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে, যেগুলোর সরবরাহ ২০৩১ বা ২০৩৫ সালের দিকে হতে পারে। তবে এটি তাদের নিজস্ব বাণিজ্যিক বিষয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এখনো এয়ারবাসের প্রতি তাদের আগ্রহ বজায় রেখেছে এবং এ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আলোচনা শেষ হতে সময় লাগার কারণ জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ধরনের প্রক্রিয়ায় সময় লাগা স্বাভাবিক। আলোচনাগুলো যেন যথাসম্ভব সুন্দর ও নিখুঁতভাবে শেষ হয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। যাতে পরবর্তী সময়ে কেউ বলতে না পারে যে কোনো ভুল ছিল কিংবা প্রক্রিয়াটি আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।

তিনি বলেন, এতে সময় লাগতেই পারে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে বিমান বাংলাদেশ ও এয়ারবাসের মধ্যে আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং এর ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা করছেন।

কারিগরি আলোচনার বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার অনুমতি তার নেই। তাছাড়া তিনি এয়ারবাসের হয়ে সরাসরি চুক্তি আলোচনাকারীও নন।

তিনি বলেন, এটি ফরাসি সরকার কিংবা যুক্তরাজ্য সরকারের কোনো চুক্তি নয়। এটি সরাসরি এয়ারবাস কোম্পানি ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মধ্যকার বাণিজ্যিক চুক্তি। যথাসময়ে দুই পক্ষের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। তবে তিনি অবশ্যই এয়ারবাসের জন্য একটি সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেবেন।

ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ডিক্যাব টকে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা ইমরুল কায়েস।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪