| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মিরপুর-১০ সংঘর্ষ: চার মামলায় আসামি এক হাজার

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ০১, ২০২৬ ইং | ১২:৩৭:০৫:অপরাহ্ন  |  ১১০ বার পঠিত
মিরপুর-১০ সংঘর্ষ: চার মামলায় আসামি এক হাজার

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানায় তিনটি এবং কাফরুল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট আসামি করা হয়েছে প্রায় এক হাজার জনকে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মিরপুর মডেল থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সিটি করপোরেশন বাদী হয়ে গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে একটি, পুলিশ বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে একটি এবং ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেছে। এসব মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০ জন।

অন্যদিকে কাফরুল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশনের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সিটি করপোরেশন বাদী হয়ে থানায় এজাহার দিয়েছে। ওই মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে এ অভিযান চলছিল। অভিযান চলাকালে হোপ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচে থাকা ভাসমান দোকান সরানোর সময় ভেকুর আঘাতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আগুন ধরে যায় বলে স্থানীয় দোকানি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

আগুনে মার্কেটের পাঁচটি দোকান পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন লাগার পর ক্ষুব্ধ হকার ও দোকানিরা সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর হামলা চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও হকারদের সংঘর্ষ বাধে।

একপর্যায়ে হকাররা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। এ সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষের মধ্যে সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশের একটি গাড়ির গ্লাসও ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের কারণে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ নম্বরের সড়কে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে ওই এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরাও বাধার মুখে পড়েন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের পর দুপুরের দিকে আবারও উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। এ সময় মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাতে থাকা ভাসমান দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়।

দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে যান ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এবং সিটি করপোরেশনের ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে যাওয়া গাড়িগুলো পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা পরিকল্পিত। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে।

এ ঘটনায় চারটি মামলায় প্রায় এক হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪