| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শার্শায় বন্যার অবনতি, প্লাবিত বিস্তির্ণ এলাকা

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ২৬, ২০২৫ ইং | ১২:৩৭:২৮:অপরাহ্ন  |  ১৫১৮৪৬১ বার পঠিত
শার্শায় বন্যার অবনতি, প্লাবিত বিস্তির্ণ এলাকা
ছবির ক্যাপশন: শার্শায় বন্যার অবনতি, প্লাবিত বিস্তির্ণ এলাকা

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী পুটখালী, গোগা, উলাশী, বাগআঁচড়া ও কায়বাসহ পাঁচটি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। টানা বর্ষণ এবং ভারত থেকে আসা ঢলের পানিতে সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাউদখালী খাল দিয়ে প্রতিদিন ঢল নামছে। ফলে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও দোকানপাট প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যেই বহু পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে। কৃষিজমিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত প্রতিটি ইউনিয়নের ওয়ার্ডে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. কাজী নাজিব হাসান জানান, “আগেভাগেই স্কুলগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে শুকনো খাবার ও ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে।”

রবিবার (২৪ আগস্ট) রাত পর্যন্ত উলাশী, বাগআঁচড়া ও কায়বা ইউনিয়নের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার বন্যাকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি গ্রামে ঘরে ঘরে পানি উঠেছে। বর্তমানে অন্তত দুই হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

বাগআঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু জানান, তার ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। “আমাদের ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী। দুটি আশ্রয়কেন্দ্রে পাঁচটি পরিবার উঠেছে। তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

উলাশী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুর রাশেদ বলেন, “কন্যাদাহ, রামেডাঙ্গা ও নারানতলা পড়ার প্রায় ২৫০টি পরিবার গত দেড় মাস ধরে পানিবন্দী। ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫ থেকে ২০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। সরকারি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।”

গোগা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, “আমাদের ইউনিয়নে প্রায় ১৩ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে।”

কায়বা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন জানিয়েছেন, কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকেছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পরিবারগুলো অবস্থান করছে।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দ্বীপক কুমার সাহা বলেন, “টানা বর্ষণ ও উজানের পানিতে প্রায় ৪০০ হেক্টর আউশ ধান ও গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি তলিয়ে গেছে। ৬০০ হেক্টর জমি পানির নিচে থাকায় এবার রোপা আমন চাষ হুমকির মুখে। পানি আরও বাড়লে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে।”

রিপোর্টার্স ২৪/ প্রীতিলতা

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪