রিপোর্টার্স ডেস্ক: ইরানের সংসদীয় ও আইন বিষয়ক মহাপরিচালক হোসেন নুশাবাদি বলেন, ভূ-রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক ‘সম্পদের’ ওপর সবসময়ই বিদেশিদের লোলুপ দৃষ্টি ছিল, কিন্তু এই ‘কৌশলগত সম্পদ’ ইরানের ‘পরিচয় ও সভ্যতার’ অংশ।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ- ও বার্তা সংস্থা ইসনাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেনৈ তিনি।
তিনি আরও বলেন, তার দেশ এখন ‘বিশ্বগ্রাসী আমেরিকার’ সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধেও শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। হরমুজ জলসীমা ইরানের পরিচয় ও সভ্যতার অংশ। যেকোন বিদেশি শক্তি চাইলেই এটিকে দখল করতে পারবে না।
এদিকে, ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়া মার্কিন জনগণের অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।
এক বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়া মার্কিন জনগণের পবিত্র দায়িত্ব।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব