| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দরকষাকষিতে বাংলাদেশ দুর্বল: ড. আনিসুজ্জামান

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫ ইং | ১৫:১২:৩০:অপরাহ্ন  |  ১৫১৪৫৯৫ বার পঠিত
বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দরকষাকষিতে বাংলাদেশ দুর্বল: ড. আনিসুজ্জামান
ছবির ক্যাপশন: সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তির লক্ষ্যে দরকষাকষিতে বাংলাদেশ দুর্বল। এক্ষেত্রে আমাদের দক্ষতা আরও বাড়াতে হবে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ-মার্কিন ট্যারিফ চুক্তি: কীভাবে বাণিজ্য সুবিধা হতে পারে’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সংস্কার চাই। সবক্ষেত্রেই সংস্কার আনার চেষ্টা করছি। বাণিজ্য খাতে সংস্কার আনতে সমন্বিত অনলাইনে সেবা চালু করা হয়েছে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ছয় মাসের নোটিশে শুল্ক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ সফল হয়েছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমাদের পণ্য কেনার সুযোগ কম। তবে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চাই। সে লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিন লাখেরও বেশি গম আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আমাদের পণ্য রপ্তানি বাড়াতে হলে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে।’

সেমিনারে আলোচকরা বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ১ আগস্ট থেকে শুল্ক ২০ শতাংশে কমাতে সফল হয়েছে। পারস্পরিক শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে কমানোকে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশের পারস্পরিক শুল্ক হার তার এশিয়ান প্রতিযোগী যেমন ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার অনুরূপ এবং এটি মিয়ানমার ও ভারতের মতো কিছু প্রতিবেশীর তুলনায় অনেক কম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাজার বিশেষ করে পোশাক শিল্পের জন্য এ চুক্তি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হলে বাণিজ্য সম্পর্ক সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ শুল্ক চুক্তির সুবিধা সর্বাধিক করার জন্য বাংলাদেশকে তার বাণিজ্য বাস্তুতন্ত্রের বিভিন্ন দিক মোকাবিলা করে একটি বিস্তৃত কৌশল গ্রহণ করতে হবে।’

মার্কিন প্রবর্তিত এ শুল্ক যুদ্ধের ভবিষ্যৎ গতিপথ অনিশ্চিত রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করে, মার্কিন শুল্ক দ্বারা সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং বিশেষজ্ঞদের তাৎক্ষণিক মনোযোগ দাবি করেন আলোচকরা।

সেমিনারের বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ইফতেখার আনিসের সভাপতিত্বে তিনটি উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়। উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন বিআইআইএসএস গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবির, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) অধ্যাপক ড. গোলাম রসুল এবং বিজিএমইএ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইনামুল হক খান। আরও বক্তব্য রাখেন বিআইআইএসএস-এর গবেষণা পরিচালক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, কূটনৈতিক মিশন, গণমাধ্যম, গবেষকরা, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, বিভিন্ন থিঙ্ক ট্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা এবং ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্বরা সেমিনারে অংশ নেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪