| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পাবনায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, বন্ধ থাকছে মিল-কারখানা

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ০২, ২০২৫ ইং | ১০:৪৭:৫৪:পূর্বাহ্ন  |  ১৪৮৪৩৮৭ বার পঠিত
পাবনায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, বন্ধ থাকছে মিল-কারখানা
ছবির ক্যাপশন: তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, বন্ধ থাকছে মিলকারখানা

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি: তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এলাকার গ্রাহকদের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। চব্বিশ ঘণ্টায় প্রায় সাত-আট ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ছেন বাসিন্দারা। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কার্যক্রম। মিল কারখানা বন্ধ থাকছে। পোল্ট্রি শিল্পেও পড়ছে এর বিরূপ প্রভাব।

জানা গেছে, পবিস-১ এর সদর দপ্তর চাটমোহর এর অধীনে চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, আটঘরিয়া, ঈশ্বরদী (আংশিক), পাবনা সদর (আংশিক), তাড়াশ (আংশিক), উল্লাপাড়া (আংশিক) এ আট উপজেলার ১১৫২ বর্গ কিলোমিটার এলাকার ৪০টি ইউনিয়নের ৯১৫টি গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। বৃহত্তম এ এলাকায় যে পরিমাণ বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে সে মোতাবেক বিদ্যুৎ না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, তারা চাহিদা মোতাবেক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলও আগের তুলনায় বেশি আসছে। কেউ কেউ ভূতুড়ে বিল আসার অভিযোগ করলেও সমিতি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো ভূতুড়ে বিল করা হচ্ছে না।

চাটমোহর গুনাইগাছা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম, জালেশ্বর গ্রামের বেলালুর রহমান, মহেলা গ্রামের ইয়াছিন আলী ও বড়বেলাই গ্রামের আব্দুল খালেক জানান, প্রতি রাতে প্রায় চার পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। দিনে রাতে বার বার বিদ্যুৎ আসে আর যায়। বেশ কিছু দিন যাবত এ অবস্থা চলে আসছে।

ভাঙ্গুড়া মল্লিকচক গ্রামের বাসিন্দা স্বপন জানান, চব্বিশ ঘণ্টায় সাত আটবার বিদ্যুৎ যায় আসে। গড়ে দশ ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ পাই।

পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার শফিউল আলম বলেন, ইচ্ছে করে লোডশেডিং করি না। পাবনা গ্রিড নূরপুর, ভাঙ্গুড়া গ্রিড ও ঈশ্বরদী গ্রিড থেকে আমরা যে বিদ্যুৎ পাই তা বিভিন্ন এলাকায় ভাগ করে দিই। এখন আমাদের ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা পাচ্ছি ৫২ মেগাওয়াট। পিক আওয়ারে যখন চাহিদা ছিল ৯৩ মেগাওয়াট, তখন পেয়েছি ৬৯ মেগাওয়াট। আমরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি। যতটুকু বিদ্যুৎ পাচ্ছি ততটুকু বিতরণ করছি।

ভূতুড়ে বিলের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘ভূতুড়ে বিল করা হয় না। কোনো মিটার রিডার মিটারের প্রকৃত বিল না দিয়ে ভুল তথ্য দিলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে কোনো গ্রাহকের অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রিপোর্টার্স ২৪/ প্রীতিলতা

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪