নাটোর প্রতিনিধি: গত (৫ অক্টোবর) রবিবার নাটোরের বড়াইগ্রামে মমতাজ বেগম নামের এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। যা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলো। তবে পুলিশের একটি চৌকস দল মাত্র তিন দিনের মধ্যে এই হত্যা রহস্যের সমাধান করে এবং অপরাধীকে আটক করে।
জানা গেছে, পার্শবর্তী সরদার পাড়ার বসবাসকারী ফাউজিয়া গহনার লোভে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। ফাউজিয়া নিহত মমতাজ বেগমের দূর -স্পর্কের নাতনি। ঘটনার রাতে, ফাঁকা বাড়িতে একা পেয়ে তিন ভরি গহনার লোভে বৃদ্ধ মমতাজ বেগমকে হত্যা করে ফাউজিয়া।
জানা গেছে, বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই শামীম ও এএসআই রাজিবসহ বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে।
পুলিশ জানিয়েছে, মূলত নিহত মমতাজ বেগমের গহনার জন্যই ফাউজিয়া এ ঘটনা ঘটায়। বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ১১ টার দিকে গহনা বিক্রী করে পালিয়ে যাবার সময় নাটোর হরিশপুর বাসষ্ট্যান্ড থেকে ফাউজিয়াসহ তার কথিত স্বামী মিনারুলকে আটক করে পুলিশ। গহনা বিক্রী করে লাগেজ ভর্তি নতুন পোশাক কিনে পালিয়ে যাচ্ছিলো তারা।
বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মো. গোলাম সারোয়ার জানান, ‘নিহত মমতাজ বেগমের মেয়ে এ ঘটনায় বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করলে অভিযানে নামে পুলিশ। হত্যা মামলায় আটক ফাউজিয়া ও তার কথিত স্বামীকে আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ প্রীতিলতা