রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: আফগানিস্তানের ইসলামিক এমিরেট’র মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তান–পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনার সময় শান্তি ও মধ্যস্থতার লক্ষ্যে কাবুল ও ইসলামাবাদ-র মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংলাপ সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ করেছিল।-তোলো নিউজ
মুজাহিদ বলেন, প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য যোগাযোগ এসেছে। তিনি জানান, “আমাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগে রয়েছেন” বলে তারা কিছু প্রতিনিধির কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানান, তারা তাদের প্রভাব ব্যবহার করে অন্য দেশগুলোকেও আফগান পক্ষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করুক।
এই দাবি এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি উল্লেখ করেছেন যে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা নিরসন তার জন্য একটি “সহজ কাজ”। সংবাদ বিশ্লেষক আব্দুলওয়াহিদ হাকিমি বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানের ওপর ঐতিহ্যগতভাবে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। তাই এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা যথার্থ ও কার্যকর হতে পারে।
অপরদিকে, আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে কোনো “গোপন সংযোজন” বা অতিরিক্ত শর্ত নেই। তারা জানিয়েছেন, চুক্তির মূল বিবরণ ইতিমধ্যেই সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়েছে এবং চুক্তি ‘পুরোপুরি প্রকাশিত’ রয়েছে।
মুজাহিদ কয়েকবার বলেছেন, তারা সকল দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ, ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। তবে এখনো পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের ইসলামিক এমিরেট সরকারের প্রতি সুস্পষ্ট কোনো নীতি ঘোষণা দেয়নি — বন্দি বিনিময় ছাড়া।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি