| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ছেলেকে মুক্তি দিতে মাকে অনৈতিক প্রস্তাব, পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ১০, ২০২৫ ইং | ১০:৩২:৩৭:পূর্বাহ্ন  |  ১২৮৮৫৩২ বার পঠিত
ছেলেকে মুক্তি দিতে মাকে অনৈতিক প্রস্তাব, পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর চাটখিল থানায় ছেলেকে মুক্তির বিনিময়ে মাকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. অলি উল্লাহর বিরুদ্ধে। সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনার তদন্তের জন্য জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে এসআই মো. অলি উল্লাহ, এএসআই নূরসহ পুলিশের তিন সোর্সের বিরুদ্ধে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বরাবর অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই বিধবা নারী (৪৮)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে ভুক্তভোগীর ছেলেকে সাজানো মিথ্যা মাদকের মামলায় আটক করে পরদিন আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পুলিশ তাকে আরেকটি মামলায় মিথ্যা সাক্ষী দিতে চাপ দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় নানাভাবে হয়রানি ও মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়।

এদিকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ওই নারীকে এএসআই নূর ও পুলিশের সোর্স মো. মামুনের মাধ্যমে বাড়ি থেকে থানায় ডেকে আনেন এসআই মো. অলি উল্লাহ। পরে তিনি ছেলেকে মামলা ও স্বাক্ষী সংক্রান্ত হয়রানি থেকে বাঁচাতে হলে বাসায় গিয়ে তাকে (অলি উল্লাহ) একান্তে সময় দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, থানায় না গেলে পরিণতি খারাপ হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন এসআই অলি উল্লাহ। পরে থানায় গেলে তিনি আমাকে একটি কক্ষে নিয়ে অশালীনভাবে জড়িয়ে ধরেন, মুখের নেকাব খুলে অশোভন অঙ্গভঙ্গি করেন এবং তার বাসায় গিয়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর প্রস্তাব দেন। অন্যথায় মা-ছেলেকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

ওই নারী আরও দাবি করেন, পুলিশের সহযোগিতায় হালিমা দিঘির পাড় এলাকার লাতু মিয়ার ছেলে মো. মামুন মাদকের রমরমা ব্যবসা করে আসছে। আমার ছেলেকেও ওই ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে বিভিন্নভাবে ফাঁসিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা চলছে। আমি নিরুপায় হয়ে পরে পুলিশের আইজিপির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।

অভিযুক্ত এসআই মো. অলি উল্লাহ বলেন, আমি ওই নারীকে চিনি না। তার সঙ্গে এ ধরনের কোনো আচরণের বিষয়টি আমার জানা নেই। তার কোনো মামলা বা অভিযোগও আমার কাছে আছে বলে মনে হয় না। এ বিষয়ে আমাকে ডাকা হয়েছে, আমি আমার বক্তব্য সেখানে উপস্থাপন করব।

পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের বিষয়ে নির্দেশ পেয়ে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ পেয়ে আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষকে আসতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাসময়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪