| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জঙ্গি-যোগের সন্দেহ

দিল্লির পাশে হাসপাতালের ডাক্তারদের ডেরা থেকে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক, অ্যাসল্ট রাইফেল উদ্ধার

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ১০, ২০২৫ ইং | ১৭:০৭:০০:অপরাহ্ন  |  ১২৮৫৯০৮ বার পঠিত
দিল্লির পাশে হাসপাতালের ডাক্তারদের ডেরা থেকে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক, অ্যাসল্ট রাইফেল উদ্ধার
ছবির ক্যাপশন: আটক ডাঃ আদিল আহমদ, ডাঃ মুজাম্মিল শাকিলকে

আশিস গুপ্ত, নতুন দিল্লি  : জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশের একটি যৌথ অভিযানে হরিয়ানার ফরিদাবাদের একটি মেডিকেল কলেজ থেকে বিপুল পরিমাণ সন্দেহভাজন বিস্ফোরক রাসায়নিক, একটি অ্যাসল্ট রাইফেল এবং অন্যান্য অস্ত্র ও গোলাবারুদের ভান্ডার উদ্ধার করা হয়েছে।

বিস্ফোরণের কাজে ব্যবহৃত ২৯০০ কিলোগ্রাম সন্দেহভাজন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং অস্ত্রগুলি ফরিদাবাদের আল ফালাহ হাসপাতাল থেকে জব্দ করা হয়। অস্ত্র মামলায় পূর্বে গ্রেপ্তার হওয়া এক কাশ্মীরি চিকিৎসকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই সাফল্য আসে। 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক ডাঃ আদিল আহমদ রাথার-এর জিজ্ঞাসাবাদের সময় পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাসপাতালে তল্লাশি চালানো হয় এবং একই হাসপাতালের আরেক চিকিৎসক ডাঃ মুজাম্মিল শাকিলকে এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

এখনো পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে তিনটি ম্যাগাজিন এবং ৮৩ রাউন্ড তাজা গুলিসহ একটি অ্যাসল্ট রাইফেল, আট রাউন্ড তাজা গুলিসহ একটি পিস্তল, দুটি অতিরিক্ত ম্যাগাজিন, ২০টি ব্যাটারি সহ টাইমার, ২৪টি রিমোট কন্ট্রোল এবং প্রায় পাঁচ কিলোগ্রাম ভারী ধাতু। এছাড়া আটটি বড় এবং চারটি ছোট স্যুটকেস, ওয়াকি-টকি সেট, বৈদ্যুতিক তার, ব্যাটারি এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে। 

কর্মকর্তাদের মতে, আল ফালাহ হাসপাতালের এক মহিলা চিকিৎসকের একটি মারুতি সুইফট গাড়িও জব্দ করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। 

তদন্তে জানা গেছে, ডাঃ শাকিল ফরিদাবাদে ধোজ এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন, যেখানে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটগুলি লুকানো ছিল। এই রাসায়নিক প্রায় ১৫ দিন আগে তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল এবং বড়-ছোট বারোটি স্যুটকেসে ভরে রাখা হয়েছিল। যদিও প্রাথমিক রিপোর্টে ৩০০ কিলোগ্রাম আরডিএক্স এবং একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধারের দাবি করা হয়েছিল, কিন্তু পরে পুলিশ স্পষ্ট করে যে এটি আরডিএক্স নয়, বরং সন্দেহভাজন রাসায়নিক পদার্থ এবং রাইফেলটি একে-৪৭ নয়। 

ফরিদাবাদের পুলিশ কমিশনার সত্যেন্দ্র কুমার নিশ্চিত করেছেন, এটি একটি চলমান যৌথ অভিযান এবং উদ্ধার হওয়া দাহ্য পদার্থটি সম্ভবত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। কাশ্মীর উপত্যকার নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদ এবং গাজওয়াত-উল-হিন্দে-এর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে সন্দেহে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে আসা চিকিৎসকদের একটি বড় নেটওয়ার্কের দিকে এখন তদন্তের মোড় ঘোরানো হয়েছে। 

পুলিশি হেফাজতে থাকা দুই চিকিৎসককে জম্মু ও কাশ্মীরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং কর্মকর্তারা এটিকে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উপত্যকার সঙ্গে যুক্ত বিস্ফোরক উদ্ধারের বৃহত্তম ঘটনাগুলির মধ্যে একটি বলে বর্ণনা করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ৭/২৫ ধারা এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ)-এর ১৩, ২৮, ৩৮ ও ৩৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪