রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলিবর্ষণ ও দমন-পীড়নের অভিযোগের পর ব্যাপক আস্থাহীনতার মুখে পড়ে বাংলাদেশ পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে চলা সমালোচনা ও সংস্কারের দাবির মুখে অবশেষে পোশাক পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন চেহারায় হাজির হচ্ছে বাহিনীটি। অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদনের পর শনিবার (১৫ নভেম্বর) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো বাংলাদেশ পুলিশের নতুন পোশাক।
তবে পরিবর্তিত এই পোশাক এখনই সব পর্যায়ে নয় ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে সদস্যদের কাছে। নীল-সবুজ রঙের আগের ইউনিফর্ম থেকে সরে এসে নতুন একটি নির্ধারিত রঙে হাজির হবেন রেঞ্জ ও মহানগর পুলিশ সদস্যরা।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন বিভাগের উপকমিশনার তালেবুর রহমান জানান, আজ থেকে পুলিশের নতুন পোশাক ব্যবহার শুরু হয়েছে। এটি ধীরে ধীরে সকল সদস্যের মাঝে বিতরণ করা হবে।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মন্তব্য করেন যে, শুধু পোশাক নয়। মানসিকতাও বদলাতে হবে। তিনি বলেন, পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে পুলিশের জন্য, র্যাবের জন্য এবং আনসারের জন্য। তিনটি পোশাক সিলেক্ট করা হয়েছে। বাস্তবায়ন হবে ধাপে ধাপে, একবারে নয়।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, তিন বাহিনীর নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যয় হবে প্রায় ৬ থেকে ৭ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পোশাক পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণ ও ভূমিকার পরিবর্তন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না। তাদের মতে, আগেও বহুবার পোশাক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু পুলিশ কার্যক্রমে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। তাই পোশাকের সঙ্গে মনোভাব পরিবর্তন করাও জরুরি।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম