| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের প্রস্তাবে জাতিসংঘের সমর্থন

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ১৮, ২০২৫ ইং | ০৩:৩৯:০৩:পূর্বাহ্ন  |  ১২৫৯৭২৬ বার পঠিত
গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের প্রস্তাবে জাতিসংঘের সমর্থন
ছবির ক্যাপশন: গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের প্রস্তাবে জাতিসংঘের সমর্থন

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় স্থায়ী সমাধান ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ২০ দফা পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন করল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া প্রস্তাবটি পরিষদের ভোটাভুটিতে পাস হয়েছে। এতে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী—আইএসএফ—গঠনের বিষয়টি সবচেয়ে বড় আলোচ্য হিসেবে উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদের মোট ১৩টি সদস্য দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও কেউই সরাসরি বিরোধিতা করেনি। তবে রাশিয়া ও চীন ভোটদানে বিরত থাকে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও সোমালিয়াসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে এই বাহিনীতে সদস্য পাঠাতে আগ্রহ দেখালেও কারা এতে যুক্ত হবে, সে বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কিছু বলা হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আইএসএফ গাজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়াও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করা, মানবিক করিডোরগুলো নিরাপদ রাখা এবং বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, গাজায় নতুন করে প্রশিক্ষিত একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গঠন করা হবে এবং এই বাহিনী আইএসএফ-এর সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করবে। এতদিন গাজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা মূলত হামাসের নিয়ন্ত্রণে ছিল, সেখানে এই পরিকল্পনা নতুন বাস্তবতা তৈরি করবে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

অন্যদিকে গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিকল্পনাকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে। টেলিগ্রামে দেওয়া বিবৃতিতে সংগঠনটি দাবি করে—প্রস্তাবটি ফিলিস্তিনি জনগণের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার প্রশ্নকে উপেক্ষা করছে। তাদের ভাষায়, গাজার ওপর “আন্তর্জাতিক অভিভাবকত্ব চাপিয়ে দেওয়া” কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

হামাস আরও মনে করে, আন্তর্জাতিক বাহিনীকে প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করার দায়িত্ব দেওয়া হলে তারা আর নিরপেক্ষ থাকতে পারবে না এবং এতে গাজার রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য: ‘গাজাকে সামরিকীকরণমুক্ত করাই মূল লক্ষ্য’ জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেন, আইএসএফ মোতায়েনের অন্যতম লক্ষ্য হলো গাজাকে সশস্ত্র তৎপরতা মুক্ত করা, সন্ত্রাসবাদ দমন করা, অস্ত্র ও সামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা। ওয়াল্টজ আরও জানান, বাহিনীটি ইসরায়েল ও মিসর—এই দুই দেশের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সমন্বয় করে কাজ করবে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪