রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ইয়াবা উদ্ধার ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে কক্সবাজার ও বান্দরবানের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব-১৫) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানসহ ৩ শতাধিক র্যাব সদস্যকে বদলি করা হয়েছে। র্যাবের মিডিয়া উইং দাবি করেছে, এটি নিয়মিত বদলির অংশ।
র্যাব সদর দপ্তরের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৯ নভেম্বর ১৯৮ জন এবং একই তারিখে আরও ২০০ জনকে বদলি করা হয়। ২৭ নভেম্বর আরও ৭৪ জন সদস্যকে স্থানান্তর করা হয়। র্যাব মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেকাব চৌধুরী জানান, এক বছরের কর্মকাল শেষে লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান সদর দপ্তরে সংযুক্ত হয়েছেন। নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নেয়ামুল হালিম খান।
বদলির পেছনে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানের সময় তথ্য বিভ্রাট এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ কার্যকরি ভূমিকা রেখেছে বলে অনানুষ্ঠানিক সূত্রে জানা গেছে। ৭ সেপ্টেম্বর কুতুপালং পশ্চিম পাড়া এলাকায় অভিযানে দুই নারীসহ ৮৯,৬০০ পিস ইয়াবা জব্দ দেখানো হয়। ওই অভিযানে নগদ ১৬ লাখ ৭১ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার দেখানো হলেও স্থানীয় কিছু তথ্য মতে ইয়াবা ও নগদ অর্থের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।
অন্য একটি অভিযান ২৬ সেপ্টেম্বর টেকনাফের লেদা এলাকায় পরিচালনা করা হয়। সেখানে ডজনাধিক মামলার আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়, যার সঙ্গে কিছু রহস্যজনক জব্দ সামগ্রী প্রদর্শিত হয়।
উল্লেখ্য, দুই অভিযানে লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান নেতৃত্ব দিয়েছেন। র্যাব সূত্র জানায়, অভিযানের নেপথ্যে টেকনাফ এফএস কমান্ডার কর্পোরাল ইমামও ছিল। মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক চৌধুরী বলেন, যেকোনো অপরাধে জড়িত থাকলে র্যাব আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি