ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৫ নম্বর কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ধোপাবিলা গ্রামে বন্ধকীয় জমির পটলগাছ কেটে নষ্ট করা এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, ধোপাবিলা গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন প্রায় এক বছর আগে একই গ্রামের আবু বকর ও মোতালেব হোসেনের কাছ থেকে ২৩ শতক জমি ২ লাখ টাকার বিনিময়ে বন্ধক নেন। এরপর থেকে তিনি ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছিলেন। বর্তমানে জমিতে পটল চাষ করা হয়েছিল এবং গাছে পটল ধরেছিল।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ৮ মে ২০২৬ তারিখে মোতালেবের ছেলে ইকরামুল ইসলাম কক্সবাজারে বিজিবির চাকরি থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসেন। পরদিন ৯ মে দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে ইকরামুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ধারালো রামদা নিয়ে জমিতে গিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে পটলগাছ কেটে নষ্ট করে দেন। এতে তার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আলমগীর হোসেন আরও অভিযোগ করেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা তাকে বন্ধকীয় টাকা ফেরত দেওয়া হবে না এবং জমি ছেড়ে দিতে হবে বলে হুমকি দেন।
এ সময় তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং জমি না ছাড়লে তাকে খুন করে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যান। তিনি বলেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মারমুখী আচরণ করে আসছেন। ফলে তিনি বর্তমানে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনায় তিনি আইনগত সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
তবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে একরামুলের পিতা মোতালেব বলেন, “হ্যাঁ, এই গাছ আমার ছেলেই কেটেছে এবং রামদা দিয়ে এদের মারার হুমকিও দিয়েছে। পরে আমরা কয়েক ভাই মিলে তাকে হালকাভাবে মারধরও করেছি।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন