| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বান্দরবানে জমকালো আয়োজনে পার্বত্য চুক্তির ২৮ বর্ষপূর্তি পালিত

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ০২, ২০২৫ ইং | ১১:৩৯:১৮:পূর্বাহ্ন  |  ১১৭১৪২১ বার পঠিত
বান্দরবানে জমকালো আয়োজনে পার্বত্য চুক্তির ২৮ বর্ষপূর্তি পালিত

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ জুম্ম স্বার্থ পরিপন্থি ও পার্বত্য চুক্তি বিরুধী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলন জোরদার করুন এই প্রতিপাদ্য-কে সামনে রেখে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করে,পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বান্দরবান জেলা শাখার উদ্যোগে স্থানীয় রাজার মাঠে গণসংগীত ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল থেকে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে শতশত নারী ও পুরুষ সমাবেত হয়। অনুষ্ঠান শেষে রাজার মাঠ থেকে দিবসকে কেন্দ্র করে বের করা হয় র‌্যালি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি সুমন মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক উ উইন মং জলি। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মংনু মারমা,আইন বিষয়ক সম্পাদক চিএইসটি হেডম্যান নেটওয়ার্ক। মোঞোচিং মারমা সহসভাপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা পরিষদ ও সদস্য পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলিক পরিষদ। আরো উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বান্দরবান জেলা শাখার সদস্য থুইমং প্রু মারমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্রপরিষদ বান্দরবান জেলা সহ-সভাপতি সিংওয়াইমং মারমা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি , অধিকার প্রতিষ্ঠা ও স্বায়ত্তশাসনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন ও সংগ্রাম করে যেতে হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, এখনো পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বৈষম্য, ভূমি অধিকার সংকট ও নানা সামাজিক -রাজনৈতিক চাপে ভুগছে। বক্তারা আরও বলেন, শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নই পারে পাহাড়ে স্থায়ী উন্নয়ন , স্থিতিশীলতা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে।

বক্তারা জানান, আওয়ামি লীগ সরকারে সময়ে চুক্তি বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করে আমাদের মৌলিক দাবি উপেক্ষিত করে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আমাদের অসংখ্য নেতাকে হত্যা করে এবং মামলা মোকদ্দমা দিয়ে ঘরছাড়া করে। আমরা আশা করেছিলাম বর্তমান সরকার পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন করবেন কিন্তু তা হয়নি। আমরা আশা রাখছি আগামী নির্বাচিত সরকার যে আসবে তারা জনগণের সরকার হবে, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের কথা চিন্তা করে তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন করবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর  তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদকালে  পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) মধ্যে এই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় । এই চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে তিন পার্বত্য জেলায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান ঘটে।

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে চুক্তিতে সরকারের পক্ষে সই করেন জাতীয় সংসদের তৎকালীন প্রধান হুইপ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ্ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে সই করেন জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা।

ওই চুক্তির মধ্য দিয়ে শান্তিবাহিনীর সদস্যদের একাংশ অস্ত্র সমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিবদমান দুই দশকের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের দ্বার অবারিত হয়।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪