স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, যক্ষ্মাপ্রবণ ২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ বর্তমানে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, পর্যাপ্ত অর্থায়ন না থাকলে যক্ষ্মা শনাক্তকরণ, চিকিৎসা, নজরদারি ও সচেতনতা কার্যক্রমে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থসংকটের প্রভাবে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রোগী শনাক্তের হার কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে যক্ষ্মা বিস্তারের ঝুঁকি বাড়াবে।
তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আশ্বস্ত করে বলেছেন, অর্থায়নজনিত সমস্যার মধ্যেও যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মসূচি সচল রাখার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, যক্ষ্মার মতো সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক ও টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা না গেলে অর্জিত সাফল্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি