রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহকর্মী আয়েশার স্বামী রাব্বি শিকদার দায় স্বীকার করেছেন। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে রাব্বিকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক সহিদুল ওসমান মাসুম তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।
এর আগে ১০ ডিসেম্বর সকাল ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চরকয়া গ্রাম থেকে আয়েশা ও তার স্বামী রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ১১ ডিসেম্বর আয়েশার ছয় দিন এবং রাব্বির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ৮ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, ৫ ডিসেম্বর আয়েশা লায়লার বাসায় খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে যোগ দেন।
৮ ডিসেম্বর সকালে তিনি তার কর্মস্থল উত্তরায় যান। এরপর স্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সকাল ১১টার দিকে বাসায় ফেরে এবং দেখতে পান স্ত্রীর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত জখমের অবস্থায় মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন, আর মেয়েটি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেইন গেটের কাছে পড়ে। মেয়েকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, আয়েশা সকাল ৭:৫১ মিনিটে কাজের জন্য বাসায় উপস্থিত হন এবং সকাল ৯:৩৫ মিনিটের মধ্যে মেয়ের মোবাইল, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যান। ফুটেজ বিশ্লেষণে নিশ্চিত হওয়া যায়, সকাল ৭:৫১ থেকে ৯:৩৫ মিনিটের মধ্যে যে কোনো সময়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা ও মেয়েকে হত্যা করেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি