| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হাসিমুখে কথা বলাও নেক আমল

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫ ইং | ১৭:৪৩:৩২:অপরাহ্ন  |  ৯৪৩৮৬২ বার পঠিত
হাসিমুখে কথা বলাও নেক আমল
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ইসলামে হাসিমুখে কথা বলাকে সদকা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তিরমিজিতে বর্ণিত আছে, কোনো ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা বা তার পাত্রে নিজের বালতি থেকে পানি ঢেলে দেওয়া নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত।

হাসিমুখে কথা বলা মানে হলো অন্যকে একটি সুন্দর অনুভূতি বা দান দেওয়া। এটি আমাদের আত্মাকে শান্তি দেয় এবং সমাজকে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ ও সুন্দর করে তোলে।

নবীজি (স.) সবসময় হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন এবং সাহাবিরা বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এত হাসতেন যে দাঁত দেখা যেত। রসুলুল্লাহ (স.) এর চেহারায় প্রায় সবসময় মুচকি হাসি লেগে থাকতো।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে জাযআ (রা.) বলেন, “আমি আল্লাহর রসুল (স.) এর চেয়ে বেশি মুচকি হাসতে আর কাউকে দেখিনি।” (তিরমিজি ৩৬৪১)

ইসলামে অন্যকে অবজ্ঞাভরে দেখা বা গোমড়া মুখে কথা বলা নিষিদ্ধ। কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “তুমি মানুষের প্রতি অবজ্ঞাভরে তোমার গাল ফুলিয়ো না এবং জমিনে উদ্ধতভাবে বিচরণ করো না; নিশ্চয় আল্লাহ কোনো দাম্ভিক, অহংকারীকে পছন্দ করেন না।” (সুরা লোকমান ১৮)

হাসিমুখে কথা বলা সামাজিক বন্ধন তৈরি করে, মানুষের মধ্যে ভালোবাসা ও একতা বৃদ্ধি করে। হজরত জারির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) বলেন, “ইসলাম গ্রহণের পর থেকে কখনো আল্লাহর রসুল (সা.) আমাকে তার কাছে যেতে বাধা দেননি এবং যখনই তিনি আমার দিকে তাকাতেন, তখনই মুচকি হাসতেন।” (বুখারি ৩০৩৫)

ইসলামে হাসির গুরুত্ব অপরিসীম। হাসিমুখে থাকা আমাদের আত্মাকে শান্তি দেয়, সমাজকে সুন্দর করে তোলে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সাহায্য করে। মুসলমানদের উচিত সবসময় হাসিমুখে থাকা এবং অন্যকেও হাসাতে উৎসাহিত করা।

রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪