রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ইনিংসের শেষ ভাগে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে সম্মানজনক ও লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে সিলেট টাইটান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তোলে দলটি। শেষ ১৯ বলে ৫১ রান তুলে ম্যাচের গতি পুরোপুরি নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে দেন ওমরজাই ও ইথান ব্রুকস।
বিপিএলে দু’দিনের বিরতির পর বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ঢাকা ক্যাপিটালস। শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি সিলেটের। দলীয় ১৫ রানেই ওপেনার রনি তালুকদার (৭ বলে ১১) ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
এরপর একের পর এক ধাক্কায় চাপে পড়ে যায় সিলেট। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তাসকিন আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাত্র ৬ রান করে। শুরুতে বিপর্যস্ত সিলেটকে কিছুটা টেনে তোলেন সাইম আইয়ুব ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুজনে মিলে ৬৪ রানের জুটি গড়েন।
তবে সাইম ধীরগতির ইনিংস খেলেন, ৩৪ বলে করেন ২৯ রান। তার বিদায়ের কিছুক্ষণ পরই সাজঘরে ফেরেন ইমনও। আগের দুই ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো এই ওপেনার এবার থামেন ৩২ বলে ৪৪ রানে। এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুবও ইনিংস বড় করতে পারেননি, তিনি আউট হন ১৩ রানে। ১৬.৫ ওভারে সিলেটের রান তখন ১২২।
ঠিক তখনই ঝড় তোলেন আফগান তারকা আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ইথান ব্রুকসকে সঙ্গে নিয়ে শেষের ওভারগুলোতে আগ্রাসী ব্যাটিং করেন তিনি। ঢাকার ফিল্ডারদের হাতছাড়া ক্যাচ সেই কাজ আরও সহজ করে দেয়। বিশেষ করে সালমান মির্জার এক ওভারেই ২২ রান তুলে নেন ওমরজাই।
শেষ পর্যন্ত ২৪ বলে ঝোড়ো ফিফটি পূর্ণ করে অপরাজিত থাকেন ওমরজাই (৫০*)। ব্রুকসও কার্যকর ভূমিকা রাখেন ৬ বলে ১৩ রান করে। তাদের ৫১ রানের জুটিতেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় সিলেট।
ঢাকার বোলারদের মধ্যে সালমান মির্জা নেন ২ উইকেট। তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান ও সাইফউদ্দিন নেন একটি করে উইকেট। তবে শেষদিকে ওমরজাইয়ের তাণ্ডবে তাসকিন ও সালমান—দুজনই ৪ ওভারে দেন ৪৬ রান।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম