নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সবে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা ও প্রচারণা শুরুর এখনো বেশ দেরি। কিন্তু এরই মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঠেকাতে মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা।
প্রচারণায় নামার আগেই কে, কাকে পিছনে ফেলবেন—সে হিসাব কষতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অনেকে। এ দৌড়ে শামিল হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদের মতো প্রভাবশালী প্রার্থীরাও।
তারা দু’জনই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের গলদ খুঁজে সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। সংগ্রহ করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের নকলও।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রমতে, গত ৩ জানুয়ারি ৫৬টি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৪০ জনকে বৈধ প্রার্থী বলে ঘোষণা করা হয়। তাদের মধ্যে গিয়াস উদ্দিন নারায়ণগঞ্জ-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপির এ সাবেক সংসদ সদস্য এবার দু’টি আসনেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি তার দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মনোনয়নপত্রের নকল তুলেছেন।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদও তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের মনোনয়নপত্রের নকল তুলেছেন। এই দুই প্রার্থী তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরে মনোনয়নপত্র বাতিলের আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলমগীর বলেন, প্রার্থীর জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র, তার সঙ্গে যুক্ত হলফনামা কিংবা অন্য কোনো তথ্যে ঘাটতি বা গলদ খুঁজে পেলে সে বিষয়ে কমিশনে অভিযোগ দিতে পারেন প্রতিদ্বন্দ্বীরা। তবে এক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর হলফনামার নকল তুলতে হয়।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গিয়াস উদ্দিন এখন পর্যন্ত চারটি মনোনয়নপত্রের নকল তুলেছেন। তার মধ্যে দু’টি তুলেছেন নিজের এবং অপর দু’টি তুলেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের। তারা হলেন—বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী (নারায়ণগঞ্জ-৪) এবং বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান (নারায়ণগঞ্জ-৩)।
নজরুল ইসলাম আজাদও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে তার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী—স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লার মনোনয়নপত্রের নকল তুলেছেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন