| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২ কলেজ তালিকাভুক্ত

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ০৯, ২০২৬ ইং | ১৮:২৮:৪১:অপরাহ্ন  |  32627 বার পঠিত
যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২ কলেজ তালিকাভুক্ত

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২টি কলেজ তালিকাভুক্ত করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। নির্ধারিত এসব কলেজ থেকে প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কলেজগুলো হলো— সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, বাগেরহাট সরকারি প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, ঝিনাইদহ সরকারি কে. সি. কলেজ, মেহেরপুর সরকারি কলেজ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ, মাগুরা সরকারি এইচ.এস.এস. কলেজ, যশোর সরকারি সিটি কলেজ, খুলনা দৌলতপুর (দিবা-নৈশ) কলেজ, যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ (প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কর্মরত পরীক্ষার্থীদের জন্য) এবং যশোর বি.এ.এফ. শাহীন কলেজ (বিমান বাহিনীতে কর্মরত পরীক্ষার্থীদের জন্য)।

রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ব্যতীত প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বোর্ড প্রণীত পরীক্ষা পরিচালনার নিয়মাবলি প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত কলেজগুলোর যেকোনো একটি কলেজের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তবে শিক্ষক, পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কর্মরত ব্যক্তি এবং শারীরিক কিংবা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রাইভেট পরীক্ষার্থীকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে না।

প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা যে কলেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করবে, সেই কলেজের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। কোনো অবস্থাতেই কেন্দ্র পরিবর্তন করা যাবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা কেবল মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও ইসলামি শিক্ষা শাখায় পরীক্ষা দিতে পারবে। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যতীত), সে বিষয়সমূহ নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা চতুর্থ বিষয় গ্রহণ করতে পারবে না। বোর্ডের কোনো কর্মচারী কর্মরত অবস্থায় নিজ বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তবে ইচ্ছা করলে নিজ নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বাংলাদেশের অন্য যেকোনো বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের বোর্ড নির্ধারিত কলেজের অধ্যক্ষের নিকট ১০ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারির মধ্যে প্রয়োজনীয় ফি ও কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীপ্রতি তালিকাভুক্তি ফি ১০০ টাকা এবং ১১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পূরণকৃত অনলাইন তালিকা ও মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক সত্যায়িত করে ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দিতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, মূল নম্বরপত্র তালিকার ক্রমানুসারে সাজিয়ে দিতে হবে। মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সত্যায়িত মূল নম্বরপত্র দাখিল করতে হবে।

যেসব পরীক্ষার্থী ১৯৯৫ সালের পূর্বে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাঁদের মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে এবং মূল নম্বরপত্রের অপর পৃষ্ঠায় ‘Verified and Found Correct’ লেখা থাকতে হবে। কোনো ক্রমেই মাধ্যমিক পরীক্ষা বা সমমানের কোনো সনদপত্র গ্রহণ করা হবে না। যেসব পরীক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

যেসব পরীক্ষার্থী ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হয়েছেন এবং ২০১৭ বা তৎপূর্ববর্তী বছরে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, তাঁদের মূল প্রবেশপত্র জমা দিতে হবে। বাংলাদেশের আওতাধীন অনুমোদিত কোনো কলেজের অধ্যক্ষ বা বোর্ডের কোনো সদস্য অথবা কোনো সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তার নিকট থেকে প্রার্থীর চরিত্র, আচরণ এবং প্রার্থী গত অন্তত দুই বছর কোনো অনুমোদিত কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন না—এ মর্মে প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। ভুয়া তথ্য প্রদান করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রার্থীর সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবির সম্মুখভাগে নিজের নাম স্বাক্ষর করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত করে আঠা দিয়ে আবেদনপত্রে সংযুক্ত করতে হবে।

শিক্ষক প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখে কোনো অনুমোদিত বিদ্যালয়ে চাকরির মেয়াদ কমপক্ষে তিন বছর পূর্ণ হয়েছে—এ মর্মে নিজ জেলা শিক্ষা অফিসারের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত সনদ জমা দিতে হবে। পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখে কমপক্ষে এক বছর সক্রিয়ভাবে চাকরিতে থাকার সনদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিল ও স্বাক্ষরসহ জমা দিতে হবে। শারীরিক বা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতিলেখকসহ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাইলে পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীকে শ্রুতিলেখক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষায় অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে হবে। আবশ্যিক বিষয় বাংলা, ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ যেকোনো তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার পূর্বে বোর্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত কলেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন এক বছরের জন্য বলবৎ থাকবে।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪