রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন গণতন্ত্রের পথে দৃঢ়ভাবে হাঁটতে শুরু করেছে। স্বৈরশাসনের সময় যারা তাদের সন্তান, স্বামী বা প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাদের জন্য এখনও কোনো সান্ত্বনা নেই। তবে আমরা সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাই।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তারেক রহমান আরও বলেন, ষড়যন্ত্র এবং দমনপীড়নের মাধ্যমে বিএনপিকে দমানো যাবে না। যারা নিখোঁজ বা হত্যা হয়েছিলেন, তাদের পরিবার ও সমাজের কাছে রাষ্ট্রের দায় এড়ানো সম্ভব নয়। বিএনপি সরকারে আসার পর শহীদদের স্মৃতিতে সড়কের নামকরণ করা হবে।
তিনি শোনান, প্রতিটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণতান্ত্রিক সরকার আবশ্যক। আমাদের প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে যেন কেউ ষড়যন্ত্র করে দেশের গণতন্ত্রের পথে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’আন্দোলনের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ আরও অনেক নেতা।
এই মতবিনিময় সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিগত আন্দোলনে নিপীড়নের শিকার গুম-খুন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সংহতি প্রদর্শন এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো। তারেক রহমান মনে করান, দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করতে সকলের ঐক্য ও সচেতনতা অপরিহার্য।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম