| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চাঁদাবাজি বন্ধে ‘ডিজিটাল পাহারাদার’ অ্যাপসহ জামায়াতের ১৩ প্রতিশ্রুতি

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ ইং | ১৬:৪২:২৮:অপরাহ্ন  |  ৭৫৯২১২ বার পঠিত
চাঁদাবাজি বন্ধে ‘ডিজিটাল পাহারাদার’ অ্যাপসহ জামায়াতের ১৩ প্রতিশ্রুতি
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদাবাজি নির্মূলে সড়ক-পরিবহন, ভূমি ও রিয়েল এস্টেটসহ বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তিনির্ভর ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির দাবি, সরকার গঠনের সুযোগ পেলে মোট ১৩টি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে এবং দেশকে চাঁদাবাজিমুক্ত রাষ্ট্রে পরিণত করা হবে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পাঁচটি ফটোকার্ডের মাধ্যমে এসব প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়। ঘোষণায় বলা হয়, আধুনিক প্রযুক্তি ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের সব খাত থেকে চাঁদাবাজি নির্মূল করা হবে।

সড়ক-পরিবহন খাতে নজরদারি বাড়বে

ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়, সড়ক ও পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধে চাঁদাবাজি-প্রবণ সড়কগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে মনিটরিং চালু করা হবে। পাশাপাশি সব ফাঁড়ি ও চেকপোস্টে প্রত্যক্ষ নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে। কোনো অভিযোগ এলে তা দ্রুত তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া এই খাতে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে স্বাধীন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত মনিটরিং সেল গঠন এবং জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।

ভূমি ও রিয়েল এস্টেটে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা

ভূমি ও রিয়েল এস্টেট খাতে চাঁদাবাজি বন্ধে ফি ও ট্যাক্স অনলাইনে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করার কথা বলা হয়েছে। ভূমি রেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র অনলাইনে অ্যাক্সেসযোগ্য করা হবে, যাতে জমি কেনাবেচার সময় কারও চাঁদাবাজি করার সুযোগ না থাকে।

জমি লেনদেনের সময় চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

‘ডিজিটাল পাহারাদার’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইট

জামায়াতে ইসলামী চাঁদাবাজির অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য ‘ডিজিটাল পাহারাদার’ নামে একটি বিশেষ অ্যাপ ও ওয়েবসাইট চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়া ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে প্রতিবেদন দেবে বলে দাবি করা হয়। একই সঙ্গে অভিযোগকারীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।

চাঁদাবাজদের পরিচয় প্রকাশ ও শাস্তি

ঘোষণায় আরও বলা হয়, চাঁদাবাজদের পরিচয় প্রকাশ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর দাবি, আধুনিক প্রযুক্তি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে দেশকে সম্পূর্ণ চাঁদাবাজিমুক্ত রাষ্ট্রে রূপান্তর করা সম্ভব।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪