ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: নির্বাচনী প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী এ দেশে ভয়াবহ নির্যাতন চালিয়েছে বাড়িঘর পুড়িয়েছে, লুটপাট করেছে। সেই বাহিনীকে কারা সহযোগিতা করেছিল, জনগণ তা জানে। তাই আগে একাত্তরের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চান, এরপর ভোট চান।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে জনগণ প্রকৃত উন্নয়ন পায়নি। সরকার পতনের পর উন্নয়নের কথা বলা হলেও মানুষের বাস্তব জীবনে তার প্রতিফলন নেই। তিনি বলেন, আগে ১০০ টাকা আয় হতো, এখন ২০০ টাকা আয় করাকে উন্নয়ন বলা হচ্ছে। কিন্তু কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে মানুষের প্রকৃত উন্নয়ন হবে না। কৃষির উন্নয়ন হলে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে দেশ ভুল পথে যাবে। বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে দেওয়া হয়নি। যেদিন তিনি দেশে ফিরেছেন, সেদিন মানুষের ঢল নেমেছিল। প্রথম দিনই তিনি একটি উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা বলেছেন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ন্যায্যমূল্যে সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ‘কৃষি কার্ড’-এর মাধ্যমে সার ও বীজ সরবরাহ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গণসংযোগে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি