| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নির্বাচন কমিশনের নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই: ইসি সানাউল্লাহ

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ ইং | ১৮:৩২:২৯:অপরাহ্ন  |  ৬৭০৯১২ বার পঠিত
নির্বাচন কমিশনের নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই: ইসি সানাউল্লাহ

স্টাফ রিপোর্টার: নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা। ইনশাল্লাহ, আমরা সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছি এবং এটি সফল হবে।

তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলকে সঙ্গে নিয়ে আমি পটুয়াখালী সফর করেছি।

দুটি টিমের মাধ্যমে জেলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদিও এখনো ১২ দিন বাকি, তারপরও ব্যক্তিগতভাবে প্রস্তুতি দেখে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং আশাবাদী যে পটুয়াখালীতে একটি ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) পটুয়াখালীতে জাতীয় সংসদ সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সানাউল্লাহ এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন কোনো নির্দিষ্ট শতাংশ ভোটের ওপর নির্ভর করে না। আমরা চাই শতভাগ ভোটার ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হোক। সেই লক্ষ্যেই পরিবেশ ও পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। আশা করছি, মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে।

সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনকালে সাধারণত যে পরিবেশ থাকে, তার তুলনায় এবার পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও তা সীমিত পরিসরে। আমরা চাই না নির্বাচনের কারণে কোনো ধরনের অস্থিরতা তৈরি হোক। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের মধ্যে কিছু উত্তেজনা থাকতে পারে, তবে তা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলে ভালো। নির্বাচনের পর আমরা সবাই একই সমাজে বসবাস করব।

বিলবোর্ড সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, বিলবোর্ডে রঙিন পোস্টার ব্যবহারে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে ব্যানার, ফেস্টুন ও হ্যান্ডবিলের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ডিজিটাল বিলবোর্ড থাকলে সেগুলো সাদা-কালো করার প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা নতুন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। আইন অনুযায়ী কেবল নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ২১ নম্বর ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, সাধারণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তারা কোনো পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না এবং কোনো প্রার্থী বা পক্ষের পক্ষে-বিপক্ষে প্রস্তাব দিতে পারবেন না। তারা কেবল নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য জনগণকে জানাতে পারবেন।

সভায় আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটকেন্দ্রভিত্তিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়, ভিজিল্যান্স টিমের দায়িত্ব ও কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪