স্টাফ রিপোর্টার: সরকার পুনরায় জ্বালানি তেলের দাম কমিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতের মধ্যে ঘোষণা করা হয়, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন দামে পেট্রল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি হবে। এই সমন্বয় আগের মাসের তুলনায় আরও ২ টাকা কমানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে। কেরোসিনের দাম ১১৪ থেকে ১১২ টাকা, পেট্রলের দাম ১১৮ থেকে ১১৬ টাকা এবং অকটেনের দাম ১২২ থেকে ১২০ টাকা করা হয়েছে। গত মাসেও প্রতি লিটার ২ টাকা কমানো হয়েছিল।
মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, সরকার ২০২৪ সালের মার্চ থেকে জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করছে। প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়, যা আন্তর্জাতিক বাজারের ক্রয়মূল্য, ডলারের বিনিময় হার ও স্থানীয় শুল্ক, কর ও পরিবহন খরচের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের এই সামান্য হ্রাস সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে, তবে মূল্য সমন্বয় বাজারে তেলের চাহিদা ও সরবরাহের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত পরিবহন খাত, শিল্পখাত এবং কৃষি খাতে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।
সরকার আশা করছে, নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর খুচরা বিক্রেতা ও পেট্রোল পাম্পগুলো দ্রুত নতুন মূল্যে তেল বিক্রি শুরু করবে এবং যাত্রীরা সুবিধা পাবেন। তবে রাস্তায় ভোক্তাদেরকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে, যেন কেউ অতিরিক্ত চার্জ না নেয়।
নতুন দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবহন ও ব্যবসায়িক খাতে খরচের হিসাবও নতুনভাবে করা হবে। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও বিশ্ববাজারের দাম ও ডলারের মানের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম পুনঃসমন্বয় করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি