সিনিয়র রিপোর্টার: দেশীয় বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে প্রায় ১১ হাজার টাকা। নতুন দরে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা, যা মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে একই দিন সকালে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি ভরি ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভরিতে দাম বেড়েছে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, মঙ্গলবার বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিকাল ৪টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর করা হয়।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা। গ্রাম হিসেবে স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে—২২ ক্যারেট (হলমার্ককৃত) প্রতি গ্রাম ২২ হাজার ৪৭০ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি গ্রাম ২১ হাজার ৪৫০ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি গ্রাম ১৮ হাজার ৩৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম ১৫ হাজার ৪৫ টাকা।
রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি গ্রাম ৫৬০ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি গ্রাম ৫৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি গ্রাম ৪৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪৫ টাকা।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন মূল্য কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস।
এ ছাড়া স্বর্ণ ও রুপার অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় করে যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি