স্পোর্টস ডেস্ক: মাজ সাদাকাতের দুর্দান্ত সূচনা ও মধ্যভাগে মোহাম্মদ রিজওয়ান–সালমান আলি আগার জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। তবে শেষ দিকে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে পারেনি সফরকারীরা।শেষ ৪৩ রানে দলটি হারিয়েছে ৭ উইকেট। সবকটি উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭৪ রান। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৭৫ রান।
মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে পাকিস্তানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন পাকিস্তানের ওপেনার মাজ সাদাকাত। তাকে সঙ্গ দেন অপর ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান।
মাত্র ৩১ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন সাদাকাত। ওপেনিং জুটিতে আসে ১০৩ রান। ইনিংসের ১৩তম ওভারে সাদাকাতকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি; যেখানে ছিল ছয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কা।
এরপর ব্যাট করতে নামেন তরুণ ব্যাটার শামিল হুসাইন। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি কেউই। সাহিবজাদা ফারহান ৪৬ বলে ৩১ রান করে আউট হন। কিছুক্ষণ পর সাজঘরে ফেরেন শামিলও; ২২ বলে করেন ৬ রান।
চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা পাকিস্তানের ইনিংস গড়ে তোলেন। এই জুটিতে আসে ১০৯ রান। বিতর্কিত রানআউটের আগে সালমান ৬৩ বলে ৬৪ রান করেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে রিজওয়ান করেন ৪৪ রান।
তবে এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পর শেষের ব্যাটাররা বড় অবদান রাখতে পারেননি। শেষ ছয় ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন ফাহিম আশরাফ। এছাড়া আব্দুল সামাদ ১১, হুসাইন তালাত ৯, শাহীন শাহ আফ্রিদি ৩, মোহাম্মদ ওয়াসিম ১ এবং হারিস রউফ ২ রান করেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন আরও তিন বোলার।
জবাবে বাংলাদেশের শুরুটাও সুখকর হয়নি। এ রিপোর্ট লেখা পযন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৫ রানে ৩ উইকেট। তানজিদ তামিম ৭ বলে ১ রান করে শাহীন আফ্রিদির বলে আউট হবার পর সাইফ হাসান ১২ বলে ২টি চারের সাহায্যে ১২ রান করে মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে আউট হন। এরপর শান্তকে ০ রানে বোল্ড আউট করেন শাহীন শাহ আফ্রিদি ।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি