শ্রীপুর(মাগুরা)প্রতিনিধি: মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বড়উদাস গ্রামের দুই সন্তানের জননী লিমা খাতুন (২৩) নামে এক গৃহবধূ বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর ওই গৃহবধূর বিবস্ত্র মরদেহ পাওয়া যায় পার্শ্ববর্তী ঘাসক্ষেতে।
পরিবার ও এলাকাবাসীর ধারণা, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণের পর গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে পরিকল্পতিভাবে হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের বড়উদাস গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত গৃহবধূ উপজেলার বড়উদাস গ্রামের আব্দুল হাই জোয়াদ্দারের মেয়ে এবং পার্শবর্তী ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর গ্রামের সুজন মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার (৩০ মার্চ) গৃহবধূ লিমা খাতুন স্বামীর বাড়ি হাটগোপালপুর থেকে পিতার বাড়ি বড়উদাস গ্রামে বেড়াতে আসে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় পিয়াজ কাটার সময় ৭টার দিকে পরপর দুইটি ফোন কল আসে। ফোন কল পেয়ে লিমা খাতুন পাশেই তার ফুফুর বাড়িতে ১৫ মাসের শিশুকে রেখে বের হয়।
এরপর থেকে পরিবারের লোকজন সন্ধ্যা থেকে সারারাত ধরে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। পরদিন বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে এলাকার লোকজন মাঠে কাজে যাওয়ার সময় ঘাসক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় লাশটি দেখতে পেয়ে তার পরিবার ও পুলিশকে অবহত করেন। সংবাদ পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশটি উদ্ধার করে মাগুরা মর্গে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনসহ অন্যান্য পুলিশ অফিসারগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং তিনি বলেছেন সুরতহাল পরীক্ষ ও লাশের ময়না তদন্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত নারীর মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আতাউর রহমান বলেন, বড়উদাস মাঠে ঘাসক্ষেত থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মাগুরা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুও কারণ বিস্তারিত জানা যাবে।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু