সিনিয়র রিপোর্টার: পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে পদ্মা নদীতে একটি ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ দশমিক ২৫ কোটি টাকা।
সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা সরাসরি উপকৃত হবে। পাশাপাশি আরও অন্তত পাঁচটি জেলা পরোক্ষভাবে এর সুবিধা পাবে। এ কারণে প্রকল্পটিকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ এবং সামগ্রিক জীবন-জীবিকার জন্য পদ্মা নদীর পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৪ সালে শুরু হওয়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ২০১৩ সালে শেষ হয় এবং তাতে ব্যারেজ নির্মাণের সুপারিশ করা হয়। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের সম্ভাব্য সুফল সম্পর্কে মন্ত্রী আরও জানান, এটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৮ দশমিক ৮০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং প্রায় ৯ লাখ ২৭ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ থেকে ২০৩৩ সালের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি