| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মজুদ শুরু করেছে এশিয়ার দেশগুলো

ইরানের বন্দর অবরোধের পর আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ইং | ১২:২৮:২২:অপরাহ্ন  |  ৪৩৩৭৩ বার পঠিত
ইরানের বন্দর অবরোধের পর আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বন্দরগুলো আগামী সোমবার থেকে অবরোধের মার্কিন ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪ দশমিক ২৪ ডলারে পৌঁছেছে।

গত শুক্রবার পাকিস্তানে বৈঠকের খবরের মধ্যে জুনে সরবরাহের জন্য তেলের দাম কিছুটা কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমেছিল। তবে সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে পুনরায় বিমান হামলা শুরু করার কথা চিন্তা করছেন। ইতিমধ্যে ইরানের বন্দরগুলো অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। ফলে আবাররো বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম। 

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেল ১০২ দশমিক ২৯ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার। যুদ্ধের প্রভাবে বিভিন্ন সময়ে তা ১১৯ ডলারও ছাড়িয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, রোববার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের যে ঘোষণা দিয়েছেন তার সাথে আবারো বিমান হামলা চালানোর বিষয়টিও তার বিবেচনায় আছে। এদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ শুরু করা হবে।

অন্যদিকে ইরানি সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির কাছে তেহরান ‘নতি স্বীকার’ করবে না। এ অবস্থায় সংঘাত আবারো অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে। 

এদিকে এশিয়ার দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাজার বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত দ্রুত শেষ হবে না, যদিও শেষ হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে দ্রুত তেল-গ্যাস পরিবহনের নিশ্চয়তা থাকবে বলে মনে করেন না তারা। তাই সমস্যা সমাধানে দেশগুলো কাজ শুরু করেছে।

আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চ মূল্যে হিলিয়াম সংগ্রহ করছে, যেটি দিয়ে কৃত্রিম উপায়ে গ্যাস তৈরি করা হয়।

 এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং ওমানের সঙ্গে তেল-গ্যাস সংগ্রহের বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি। যাতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিয়ে আসা যায়। ইতিমধ্যে পাঁচটি ট্যাঙ্কারও পাঠিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ণমাত্রায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন চালাচ্ছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য একটি বড় অবকাঠামো তৈরি করেছে।

 এমন কার্যক্রম এশিয়ার পুরো অঞ্চল জুড়েই চলছে। সরকারগুলো জ্বালানি সমস্যাকে এমনভাবে দেখছে যে এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। সেজন্য আগে থেকে দেশগুলো জ্বালানি সংগ্রহ পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দিচ্ছে। 

ট্রাম্পের আচরণের উপর এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নির্ভর করবে বলে মনে করে বিশ্লেষকরা।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪