| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

উৎসবমুখর আয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বাংলা নববর্ষ বরণ

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ইং | ১৭:৪৯:০০:অপরাহ্ন  |  ২৭৭২০১ বার পঠিত
উৎসবমুখর আয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বাংলা নববর্ষ বরণ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাক-ঢোলের তালে, নাচ-গান ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষকে বরণ করেছে নারায়ণগঞ্জবাসী। নতুন বছরের প্রথম দিনেই নগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানাতে নগরীর চাষাঢ়া থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিককর্মী এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও মুখোশ। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন সাজে দেখা যায়। কেউ সেজেছেন নবাব, রাণী, জমিদার, লাঠিয়াল, রাখাল, কৃষক, মাঝি কিংবা বাংলার নববধূর বেশে।

এদের মধ্যে বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়ে ‘আলিফ লায়লা’র দৈত্যের প্রতিকৃতি, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউট ও নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে পৃথক শোভাযাত্রা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসব অনুষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়।

সকাল থেকেই চাষাঢ়া ও আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে। নতুন পোশাকে পরিবার-পরিজন নিয়ে উৎসবে অংশ নিতে আসা মানুষের উপস্থিতিতে পুরো নগরী হয়ে ওঠে মুখরিত। নববর্ষকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় উৎসবমুখর পরিবেশ।

জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, “বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের জন্য এই দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। জাতি হিসেবে আমাদের ঐক্য ও সংহতির একটি অনন্য উদাহরণ হলো পহেলা বৈশাখ। আমরা সকল ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে এ উৎসব উদযাপন করছি।”

তিনি আরও বলেন, “বৈশাখী শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বছরের যাত্রা শুরু করেছি। শোভাযাত্রায় গ্রামীণ ও দেশীয় ঐতিহ্যের বহুমাত্রিক উপস্থাপন ছিল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে। মেলায় দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে, পাশাপাশি পান্তা-ভাত ও মাছের আয়োজন রাখা হয়েছে।”

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জের জনগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিসহ যারা অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সবার সম্মিলিত উপস্থিতিতেই আয়োজনটি সফল হয়েছে।”

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪